বরগুনার আমতলীতে পারিবারিক কলহের জেরে সুপ্রিয়া হালদার নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়েছেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ৯ টার দিকে উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের হরিমৃত্যুঞ্জয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ সুপ্রিয়া হালদার দুই সন্তানের জননী। এর মধ্যে প্রথম সন্তানের বয়স ১১ বছর ও দ্বিতীয় সন্তানের বয়স ৯ মাস।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আমতলী থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে ময়নাতদন্তের মরদেহ জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে জানান দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত অজয় হালদার ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক।
গৃহবধূর মা দীপালি অভিযোগ করে বলেন, পরকীয়ার জন্য আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। ছোট ভাইয়ের বউয়ের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক সামনে আসায় আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।
গৃহবধূর দাদা প্রফুল্ল কুমার রায় বলেন, হত্যার আগে আমাকে কল দিয়ে বলল দাদা, আমাকে নির্যাতন করতেছে তার ঘন্টা খানেক পরে জামাই কল দিয়ে বলে আপনার নাতি মারা গেছে। হাসপাতালে মরদেহ রেখে তারা সবাই পালিয়ে গেছে। তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাই।
গৃহবধূর অন্য স্বজনদেরও দাবি, পরকীয়ার জেরেই সুপ্রিয়াকে হত্যা করেছেন তার স্বামী অজয় হালদার।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত অজয় হালদার ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক বলে জানান তিনি।