পানিতে নিমজ্জিত ভবদহ’র অর্ধশত গ্রাম 

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

নিম্নচাপের প্রভাবে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢল ভবদহ স্লুইসগেট দিয়ে অপসারণ না হওয়ায় যশোরের মণিরামপুরের অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এবার মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ধসে গিয়ে নতুন করে ৬ গ্রাম  প্লাবিত হয়েছে। এ যেন ভবদহ বিলপাড়ের মানুষের কাছে ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’। বেড়িবাঁধ মেরামত করা না হলে অনেক গ্রাম প্লাবিত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা করছে ভবদহ বিলপাড়ের মানুষ। উপজেলার লখাইডাঙ্গা গ্রাম সংলগ্ন মুক্তেশ্বরী নদী ও বিল কেদেরিয়ার ৩ নম্বর বেড়িবাঁধ ধসে গিয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সড়কসহ উপসনালয়। ভেসে গেছে মাছের ঘের। এতে  প্রায় এক লাখ মানুষ পানি বন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

জানা গেছে, প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে গেলো বছরের অক্টোবর মাস হতে সেনাবাহিনীর অধীনে খনন কাজ ভবদহ বিলের পাড়ের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে ফের জলাবদ্ধ হওয়ায় সেই আশা এখন দুরাশা। আর বেড়িবাঁধ ধস উপজেলা পাঁচাকড়ি, বালিদহ, নেহালপুর,লখাইডাঙ্গা, দিঘলিয়া, পোড়াডাঙ্গা গ্রাম প্লাবিত হওয়ায়  নতুন করে আশার আলো নিভিয়ে দিলো। 

সরেজমিন গিয়ে চোখে পড়ে  খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেরার খর্ণিয়া তেলেগাতী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে খনন কাজ করায়, বাধের বিপরীতে ৫শ’ থেকে ৬শ’ মিটার দূরে নদীর বুকে পলি জমায় পানি নিষ্কাশন বাঁধাপ্রাপ্ত হওয়ায় এই জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। এতে অভয়নগর, মনিরামপুর,কেশবপুর ও ডুমুরিয়া উপজেলার প্রায় ৫০টি গ্রাম সম্পূর্ণ ও আংশিক প্লাবিত হয়েছে। স্কুল শিক্ষক প্রভাষ বিশ্বাস বলেন, গ্রামের ৫৫টি বাড়ির মধ্যে ৬টি ছাড়া বাকিগুলো পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব পরিস্থিতিতে পানির বন্দীদশা থেকে মুক্তি মিলবে কবে সেই সময়ের দিন গুণছে ভবদহের জনপদ।

পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী বলেন, কারণ চিহ্নিত করে সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলেই গত রোববার থেকে পলি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত