রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দীন আম্মারসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৭-১৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আদালতে হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে মাহিনের বাবা এম এস আসাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার নামীয় আসামিরা হলেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার, সালমান সাব্বির, নাজমুস সাকিব, মেহেদী সজীব, ফাহিম রেজা, আরিফুল ইসলাম, আহসান উল্লা ফারহান, সিফাত আবু সালেহ ও নূরুল ইসলাম শহীদ। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৭-১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিচার চেয়ে স্মারকলিপি : রাবিতে মব ভায়োলেন্স, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিলে হামলাসহ রাকসু ও ছাত্রশিবির নেতাদের ধারাবাহিক সন্ত্রাসী কর্মকা-ের তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। গতকাল উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম বরাবর স্মারকলিপিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র গণমঞ্চ ও বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতারা এই স্মারকলিপি দেন। এতে পাঁচ দফা জানান তারা।
দাবিগুলো হলো ২৭ জুলাইয়ের মব ভায়োলেন্সের ঘটনায় রাকসু ও ছাত্রশিবির নেতাদের আইনের আওতায় আনা; ‘রাকসু ভবনে হামলা’র অভিযোগের তদন্ত করে দোষীদের অপরাধ অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা; গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মশাল মিছিলে হামলার তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ ও দোষীদের বিচার করা; জুলাই-৩৬ হলের শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি হলে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগসহ জুলাই-পরবর্তী সব অমীমাংসিত ঘটনার তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা; এবং প্রক্টর অফিসে শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন তল্লাশি, শারীরিক লাঞ্ছনা ও পরবর্তী মব ভায়োলেন্সের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার ঘটনায় ব্যর্থ প্রক্টরিয়াল বডিকে জবাবদিহির আওতায় আনা।
