নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুক্রবার (৮ আগস্ট) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ লুৎফুর রহমান বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বের করা হয় আনন্দ র্যালি। উপাচার্যের নেতৃত্বে আনন্দ র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। র্যালি শেষে উপাচার্য প্রশাসনিক ভবন চত্বরে সিভাসু পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেক কাটেন। কেক-কাটা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনাসভা।
আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ লুৎফুর রহমান। সিভাসু শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো: নূরুল হক, সিভাসু শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, ফুড সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শিরীন আক্তার, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ ফয়সাল, ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আহসানুল হক, সিভাসু অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ইউসুফ এলাহী চৌধুরী, ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. এস. কে. এম. আজিজুল ইসলাম, সিভাসু অফিসার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন, কর্মচারী ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ রাহাত উল্লাহ।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পেছনে যাঁরা মূল কারিগর ছিলেন, তাদের প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ। তাদের ঋণ আমরা কোনদিন শোধ করতে পারবো না।’ উপাচার্য সিভাসু পরিবারের সকল সদস্যকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন,‘আমরা যদি সম্মিলিতভাবে কাজ করি, তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ভিশন ও মিশন, সেখানে আমরা পৌঁছাতে পারবো। আমরা সম্মিলিতভাবে সামনের দিকে এগোতে চাই।’
