‘গোপন তৎপরতায়’ শেকৃবির শিক্ষকদের নাম, তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

প্রকাশিত সংবাদে শিক্ষকদের পরিচয়, তাদের কার্যক্রম এবং দায় কতটুকু- তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখতে উপ-উপাচার্যের নেতৃত্বে মাঠে নামছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শীর্ষক সাম্প্রতিক একটি প্রকাশিত সংবাদে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কয়েকজন শিক্ষকের নাম উঠে এসেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর শিক্ষক পরিবেশ ও সার্বিক দিক বিবেচনায় পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযুক্ত শিক্ষকদের পরিচয় ও কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে রবিবার (৯ আগস্ট) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) মো. নজরুল ইসলামের সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠনের সংবাদটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গঠিত এই কমিটিতে প্রধান বা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলীকে কমিটির সদস্য-সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটির অন্য ৫ জন সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন ইনস্টিটিউট অব সিড টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজনীন সুলতানা, আইসিটি বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. জামিলুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহা. আশাবুল হক, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আশরাফী হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) মো. নজরুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অফিস আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটিতে শেকৃবির যেসকল শিক্ষকের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে, তাদের মূল পরিচয় যাচাই করা, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখা এবং সার্বিক ঘটনার দায়ে তাদের সম্পৃক্ততা নিরূপণ করতেই এই কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত