চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী চিকিৎসকদের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর আজিমপুরের হযরত ইবনে মাসউদ (রা.) হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্রের মা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সমগ্র জীবন দেশের মানুষের জন্য এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসর্গ করেছেন।
গণতন্ত্রের জন্য তাঁর আপসহীন মনোভাব বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, আলেম-ওলামা ও এতিম শিশুদের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার সবসময় বিশেষ সম্মান ও ভালোবাসা ছিল। পবিত্র রমজানে তিনি প্রথম ইফতার এতিম ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করার চেষ্টা করতেন। তাঁর সেই ধারাবাহিকতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বজায় রেখেছেন। তাঁর সরকারের আমলে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক রফিকূল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া তা এগিয়ে নিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের সুফল বাংলাদেশ এখনো ভোগ করছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে যতদিন গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে, ততদিন বেগম খালেদা জিয়ার নাম শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে উচ্চারিত হবে।
অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কামনা করা হয়।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, ডা. জাহিদুল কবির, ডা. আহমেদ সামি আল হাসান, ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ডা. নোমান, ডা. তানজীর, ডা. সীমান্ত, ডা. রনি, ডা. বাদশা, ডা. মঞ্জুর, ডা. ওমর, ডা. রায়হান, ডা. মমী, ডা. নাফি, ডা. মুনতাসীরসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক ও ছাত্রনেতারা।
অনুষ্ঠান শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সংগ্রাম, ত্যাগ ও মানুষের ভালোবাসায় অমর এক জীবন
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে এতিমদের খাবার দিলেন ইশরাক