ঢাবি শিক্ষকদের রহস্যময় তালিকা, দায় নিয়ে বিতর্ক

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩২ এএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি তালিকা করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এ তালিকা সিন্ডিকেট সভা হয়ে তদন্ত কমিটির কাছে পৌঁছালেও দায়িত্ব স্বীকার করছেন না কেউ। কীভাবে নাম বাছাই হলো, কারা তালিকাটি করলেন? এমনকি অভিযোগের ধরন নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। অভিযোগ উঠেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের একটি অংশকে চাপে রাখার উদ্দেশ্যেই হঠাৎ করে এমন তালিকা করেছেন বর্তমানে প্রভাবশালী কয়েকটি পক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২৮ জুলাই সিন্ডিকেট সভায় মোট ২৩১ শিক্ষকের একটি তালিকা উপস্থাপন করা হয়। এই শিক্ষকরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধী ছিলেন বলে দাবি করা হয়। তবে সেই তালিকার বড় একটি অংশ কোনো সময়েই রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

সিন্ডিকেট সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলামকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়। এ কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আব্দুস সালাম ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান। এ কমিটি তালিকা সংক্ষিপ্ত করে ১২৫ জনে নামিয়ে আনে। তবে এরপর কী ঘটছে তা নিয়ে মুখ খুলছেন না তদন্ত কমিটির সদস্যরা। এমনকি তালিকা প্রাথমিক ও দ্বিতীয় তালিকা কারা কীভাবে করেছেন, সে ব্যাপারেও কোনো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষকদের প্রভাবশালী তিনটি গ্রুপের বিরুদ্ধে তালিকা করায় ভূমিকা রাখার অভিযোগ উঠলেও তারাও বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে।

তালিকার বেশ কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশ রূপান্তরকে জানান, তারা ক্যাম্পাসে রাজনীতির নতুন মেরুকরণের শিকার। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা বা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধী বলে দাবি করা হলেও তালিকার অনেক শিক্ষকের কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা কখনো ছিল না। আবার আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন হিসেবে পরিচিত নীল দলের সক্রিয় অনেক সদস্যের নাম নেই তালিকায়।

বেশ কয়েকজন শিক্ষক দাবি করেন, সাধারণত বছরের ডিসেম্বর মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন হয়। রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে কয়েক বছর নির্বাচন বন্ধ থাকলেও এবার আগামী ডিসেম্বরে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই নির্বাচনে প্রতিপক্ষ সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের চাপে রাখতে এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ রুদ্ধ করতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছরের মাথায় আকস্মিকভাবে এ তালিকা করা হয়েছে। বিএনপিপন্থি সাদা দল, শিক্ষক নেটওয়ার্ক ও জামায়াতপন্থি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক লিংক এ ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতপন্থি বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক লিংক বেশ সক্রিয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক দাবি করেন, তালিকা তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে শিক্ষক লিংক। তবে তারা সামনে রাখতে চায় সাদা দলকে। অন্যদিকে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তালিকা নিয়ে সমালোচনা শুরু হওয়ার পর সাদা দল তাদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করছে। আলোচিত তালিকাটি তৈরির সঙ্গে শিক্ষক নেটওয়ার্কের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

ঢাবির শিক্ষক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ও নিরপেক্ষ বিভিন্ন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে ‘জুলাইবিরোধিতা’কে ঢাল হিসেবে সামনে রাখা হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিভাগীয় ও ব্যক্তিগত বিরোধ, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, পদোন্নতি আটকানোর মতো বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

পুরো তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আওয়ামীপন্থি নীল দলে সক্রিয় এবং সামনের সারির অনেকের নাম এতে নেই। আবার নির্দলীয় অনেকের নাম জায়গা পেয়েছে। শিক্ষক সমিতির ভোটে নীল দলের শিক্ষকদের পর্দার অন্তরালে সমর্থন পাওয়ার আকাক্সক্ষা থেকেই অনেকের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে পক্ষে-বিপক্ষে কোনো ভূমিকা পালন না করেও তালিকায় নাম আছে অনেক শিক্ষকের। এর পেছনে শিক্ষক সমিতিকেন্দ্রিক রাজনীতির কূটকৌশল আছে। উদারপন্থি ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের শিক্ষকদের বড় অংশকে টার্গেট করে নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে জানার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর একাধিকবার ফোন করা হলেও ধরেননি। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এবং সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুস সালাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ২৩১ শিক্ষকের তালিকা কারা করেছিলেন, সে সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা নেই। তবে এ তালিকা এখন ১২৫ জনে নেমেছে। এটি আমলে নেওয়া বা না নেওয়ার বিষয়ে তদন্ত কমিটির পরবর্তী বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।’ সে বৈঠক কবে হবে জানতে চাইলে আব্দুস সালাম বলেন, ‘সময় এখনো ঠিক হয়নি।’

তালিকা করায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শিক্ষক লিংকের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক যুবায়ের মোহাম্মদ এহসানুল হক বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে করা তালিকার সঙ্গে শিক্ষক লিংকের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা অবাস্তব। কারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ তালিকা দিয়েছে আমরা জানি না। তবে পত্রপত্রিকায় অনেক কিছুই দেখেছি।’

অভিযোগ মিথ্যা হলে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ কেন জানাচ্ছেন না এমন প্রশ্নে অধ্যাপক যুবায়ের মোহাম্মদ বলেন, ‘আমাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি আলোচনা নেই। বেশি আলোচনায় এলে প্রতিবাদ জানাব।’

অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্য অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো উড়ো অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে চাই না।’

১২৫ জনের সবশেষ তালিকায় যারা আছেন : দুর্যোগ, বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগের অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ইসলাম, অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার, অধ্যাপক ড. আব্দুল বশির, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জীনাত হুদা, অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, অধ্যাপক ড. খায়রুল চৌধুরী, ড. দেবাশীষ কুমার কু-ু, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক মো. ফজলুর রহমান, খাদ্য ও পুষ্টি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, ফলিত রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ, অধ্যাপক ড. মো. জাভিদ ইকবাল বাঙালী, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত, অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুর রহমান, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম মাহবুব হাসান, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. শিশির ভট্টাচার্য, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ আলী, অধ্যাপক ড. আকসাদুল, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আবু হোসাইন মুহাম্মদ আহসান, আইবিএর অধ্যাপক ড. খালেদ মাহমুদ, অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল কবির, অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নীলিমা আখতার, টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন, অধ্যাপক ড. এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তাওহিদা রশিদ, ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু শারা শামসুর রউফ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মাকসুদুর রহমান, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা, অধ্যাপক ড. নীলোফার পারভীন, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সবিতা রেজওয়ানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. কেএম সালাউদ্দিন, অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন, পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. বিমান কুমার বড়–য়া, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসিফ হোসেন খান, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ড. অসীম সরকার, অধ্যাপক ড. সঞ্চিতা গুহ, ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. লিটন কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল, সহযোগী অধ্যাপক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ, অধ্যাপক ড. সাঈদুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক ড. শাহজাদী ইমা, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান, মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ সোহেল রানা, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আফতাব আলী শেখ, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহ মিরান, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তার, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক শাহরিয়ার), আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মারুফ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া, সিরামিক বিভাগের অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু, ক্রাফট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ক্রিমিনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া ইকবাল, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোনাম সাহা, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান, অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক নিসার হোসেন, অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র গাইন, ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুন নবী, তড়িৎ ইলেকট্রনিক্স কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জেডএম পারভেজ সাজ্জাদ, ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন, গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সিমা ইসলাম, ড. সিদ্ধার্থ দে, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. এসকে মামুন মোস্তফা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. এম মনিরুজ্জামান খান, অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন, জ্বালানি ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. এসএম নাসিফ শামস, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল আজিম, সহকারী অধ্যাপক ফারিহা কাদির, সহযোগী অধ্যাপক ড. শওল নাফি শিমুল, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের প্রভাষক মো. আরাফাত হোসেন, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীন খান, আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবর্ণা বড়–য়া, অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম সানা, জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লোপা মুদ্রা মালেক, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ, অধ্যাপক ড. শিমা জামান, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী, প্রভাষক মো. আজহার উদ্দিন ভূঁইয়া, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সুমন দাস, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহমেদ, অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলী, ওরিয়েন্টাল আর্ট বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক মো. আবুল হাশেম, পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মো. রাকিবুল হাসান, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন, অধ্যাপক ড. কেএম সাইফুল ইসলাম খান, ড. মো. মুমিত আল রশিদ, জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক এমএসটি রেবেকা সুলতানা, মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইশতিয়াক এম সৈয়দ, অধ্যাপক ড. রতন চন্দ্র ঘোষ, পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, ভাস্কর্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসিমুল খবির, পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সোমা দে, সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলাল হোসেন ঢালী ও প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফিরোজ জামান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত