৭৩ বসন্ত স্পর্শ

সবার ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ : সাবিনা ইয়াসমিন

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

আজ (৪ সেপ্টেম্বর) গানের পাখি ও প্লে-ব্যাক সম্রাজ্ঞী খ্যাত নন্দিত সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন স্পর্শ করলেন জীবনের ৭৩তম বসন্ত। ১৯৫৪ সালের আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন এই কিংবদন্তি। জন্মদিন ঘিরে সকাল থেকেই তিনি ভক্ত আর সহকর্মীদের শুভেচ্ছায় ভাসছিলেন। জন্মদিনে তার ভক্ত-অনুরাগীর উদ্দেশে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন ভালো থাকি সব সময়।’ 

জন্মদিনে বিশেষ কোনো আয়োজন রয়েছে কিনা জানতে চাইলে বর্ষীয়ান এই তারকা বললেন, সত্যি কথা বলতে জন্মদিন ঘিরে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই। তাছাড়া ঘটা করে জন্মদিনের আয়োজন কখনোই করি না। কাছের মানুষজন চলে যাওয়াতে জন্মদিন নিয়ে তেমন বিশেষ কিছু মনে হয় না। পারিবারিক আয়োজনে খুব সাধারণভাবে দিনটি কাটাব। নিজেদের মত করে সময় কাটাব। আল্লাহর শুকরিয়া, তিনি এখনও আমাকে সুস্থ রেখেছেন। এখন পর্যন্ত গানের সঙ্গে থাকতে পারছি। সবার ভালোবাসা পেয়ে আসছি, সবাই আমাকে ভালোবাসেন। জন্মদিনেও সবার তাদের ভালোবাসায় মুগ্ধ আমি। মনে হচ্ছে এটিই জীবনের সুন্দর পাওয়া।’ 

সাবিনা ইয়াসমিন তার বাবার চাকরির সূত্রে নারায়ণগঞ্জে বেড়ে ওঠেন। তার বাবা লুতফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং মা বেগম মৌলুদা খাতুন। পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরায়। তার পাঁচ বোনের মাঝে চার বোনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন ফরিদা, ফৌজিয়া, নীলুফার ও সাবিনা। তার আরেক বোন নাজমা ইয়াসমিন।

শৈশব থেকে গানের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন সাবিনা ইয়াসমিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন। দেশপ্রেমের জনপ্রিয় গানগুলোর বেশিরভাগই সাবিনা ইয়াসমীনের দরদ কণ্ঠের। ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’, ‘সব ক’টা জানালা খুলে দাও না’, ‘ও আমার বাংলা মা’, ‘মাঝি নাও ছাড়িয়া দে’, ‘সুন্দর সুবর্ণ’ ও ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ গানগুলো শোনেননি এমন শ্রোতার সংখ্যা খুবই কম। সংগীতে অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে একুশে পদক, ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার এবং ১৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এই শিল্পী।

 

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত