সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কার্যপ্রণালি-বিধির ১৪৭ বিধি বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমের আনীত সাধারণ প্রস্তাবের ওপর সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক হয়।
দুবাইয়ে আটকের পর দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থতার বিষয়টি সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে বিরোধীদল। তবে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আলোচনা শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বহু ঘৃণ্য অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদ কীভাবে দুবাইতে জামিন পেলেন, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যথাশিগগির জাতীয় সংসদকে অবহিত করবেন। এই ঘৃণ্য অপরাধীকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন, সে সম্পর্কে সংসদের প্রতিটি সদস্যকে যথাসময়ে যথাশীঘ্র অবহিত করবেন; এই প্রস্তাবটি ভোটে দিলে কণ্ঠভোটে তা গৃহীত হয়।
বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম প্রস্তাবে বেনজীরের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সংসদে উপস্থাপনের দাবি জানান। প্রস্তাবে তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, অর্থপাচার ও দুর্নীতির বহু মামলায় অভিযুক্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ইন্টারপোলের রেড নোটিশে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ বিধিতে প্রদত্ত বিবৃতিতে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক এই সংসদে তাকে শিগগির দেশে ফিরিয়ে আনার সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি প্রদান সত্ত্বেও তার জামিনে মুক্তিলাভ এবং অতঃপর সেন্ট লুসিয়ায় গমনের ঘটনা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া পরিচালনায় গুরুতর ব্যর্থতার পরিচায়ক; এবং এই সংসদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিকট দাবি করছে যে- (ক) নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ প্রেরণসহ গৃহীত সকল পদক্ষেপের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ; (খ) প্রেরিত নথিপত্রে কোনো আইনি বা পদ্ধতিগত ত্রুটি ছিল কি না এবং ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ; (গ) সরকারি চাকরিতে থাকাকালে জালিয়াতির মাধ্যমে ছয়টি দেশের পাসপোর্ট প্রাপ্তির বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি; এবং (ঘ) তাকে সেন্ট লুসিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দেশে-বিদেশে তার অবৈধ সম্পদ জব্দে গৃহীত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ- সম্পর্কে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন অনতিবিলম্বে সংসদে উপস্থাপন করা হোক।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন (দৈনিক আমার দেশ, ৩০ আগস্ট ২০২৬) অনুযায়ী, গত ২৭ জুলাই দুবাইয়ের আদালত বেনজীর আহমেদকে জামিন প্রদান করে, ৩০ জুলাই তিনি কারামুক্ত হন এবং ১৭ আগস্ট তিনি দুবাই ত্যাগ করে সেন্ট লুসিয়ায় গমন করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলার তদন্ত চলমান এবং তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বিদ্যমান। জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবার, গুমের শিকার পরিবারসমূহ এবং ন্যায়বিচারপ্রত্যাশী জনগণের স্বার্থে বিষয়টি জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিধায় সংসদে আলোচনার আবেদন করছি।
আলোচনায় অংশ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করছেন বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। তিনি সেন্ট লুসিয়ায় যাননি। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা করে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসও বিষয়টি নজরদারিতে রাখছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। যারা দেশে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন, তাদেরও আইন অনুযায়ী বিচার হবে। সংসদে আলোচনার সময় সদস্যরা বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা এ বিষয়ে প্রায় অভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই এক আছি। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি।’ বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, বেনজীরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া প্রয়োজন। বিদেশে অবস্থানরত অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের সঙ্গে থাকা বন্দি প্রত্যর্পণসংক্রান্ত ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত ১৪ জুন বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সে কীভাবে জামিন নিয়ে অন্য দেশে চলে গেলেন, সেটি বড় প্রশ্ন। তাকে দেশে ফেরাতে আইনি পদক্ষেপ কতটা সুচারুভাবে নেওয়া হয়েছিল, তা সংসদে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, শুধু বেনজীর নয়, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনতেও সরকারের কার্যকর উদ্যোগ দরকার। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মার্জিয়া বেগম বলেন, বেনজীরের জামিন নিয়ে দেশত্যাগের ঘটনায় প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে দেশ-বিদেশে থাকা অবৈধ সম্পদ জব্দ এবং গুম-হত্যাসহ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, ২০২৫ সালে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বেনজীরের বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি এবং পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যর্পণ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
সবশেষে এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিলম্ব করা হয়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে গ্রেপ্তারের চার দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি রয়েছে। ২০২৬ সালের ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিবি ঢাকাকে জানায়, বেনজীর আহমেদকে সেখানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনে গ্রেপ্তারের পর ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ করার বিধান রয়েছে। কিন্তু সরকার নির্ধারিত ৩০ দিনের অপেক্ষা করেনি। গ্রেপ্তারের মাত্র চার দিনের মধ্যে ২০২৬ সালের ১৬ জুন কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়। একই দিনে এর একটি অনুলিপি এনসিবি আবুধাবিতেও পাঠানো হয়। ফলে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছে—এমন অভিযোগ সঠিক নয়।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে কোনো দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। এ কারণে ইউএইর অভ্যন্তরীণ আইন এবং পারস্পরিকতার নীতির ভিত্তিতে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘৮ জুলাই ইউএইর বিচার মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণ অনুরোধের বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য ও নথি চেয়েছে। এর মধ্যে পারস্পরিকতার নিশ্চয়তা, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ, মামলার আইনি সীমাবদ্ধতা-সংক্রান্ত তথ্য এবং সত্যায়িত গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন নথি ছিল। এসবের অতিরিক্ত সহায়ক নথি ৪ আগস্ট কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো হয়েছে। এরপর ২২ আগস্ট ইউএইর কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ আরও কিছু সুনির্দিষ্ট আইনি ব্যাখ্যা এবং মামলা পরিচালনার সময়সীমা ও সাজা কার্যকরের মেয়াদ শেষ হওয়া-সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট আইনের পূর্ণাঙ্গ পাঠ চেয়েছে। এ বিষয়ে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার সময়সীমা রয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের মতামত ১ সেপ্টেম্বর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের মতামত ২ সেপ্টেম্বর পাওয়া গেছে। এখন সমন্বিত জবাব প্রস্তুত করে সত্যায়ন ও আরবি অনুবাদের কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা পাঠানো হবে।’
বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনজীবী নিয়োগের তথ্য জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৩০ জুলাই বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবির মাধ্যমে হ্যামদান আল কবির অ্যাডভোকেটস অ্যান্ড লিগ্যাল কনসালটেন্সিকে প্রত্যর্পণ ও সংশ্লিষ্ট আইনি সহায়তার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
সেন্ট লুসিয়ায় বেনজীরের যাওয়ার খবরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সেন্ট লুসিয়ায় চলে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই শুধু গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা সমীচীন হবে না।’
তিনি বলেন, বেনজীরের অবস্থান অন্য কোনো দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, চুক্তি বা পারস্পরিকতার নীতি এবং আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর আওতায় তাকে গ্রেপ্তার, প্রত্যর্পণ বা অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিদেশে থাকা বেনজীর ও তার পরিবারের সম্পদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএ) পাঠানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আইন, আদালতের আদেশ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কাঠামো অনুযায়ী সম্পদ অবরুদ্ধ, জব্দ, বাজেয়াপ্ত বা দেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জামিন পাওয়া মানেই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়া নয়। প্রত্যর্পণ একটি আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়া, যার বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে সময় প্রয়োজন। তাই জামিনের ঘটনাকে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা বা ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ও কূটনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে সরকারিদল ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সংসদে মতবিরোধ, বিতর্ক ও বহুমত থাকবে। তবে ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের’ প্রশ্ন এলে তার প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।