সরকারি প্রকল্পেই অবহেলিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ এএম

জ্বালানি সংকটের কারণে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ এমনকি কারখানার মালিকরা পর্যন্ত ভোগান্তিতে পড়েছেন। এলএনজি টার্মিনালে সম্প্রতি আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে পুরো দেশে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে সৌরবিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা রাখা হলেও এর বাস্তবায়নে ধীরগতি, অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার চিত্র দেখা যাচ্ছে। কোথাও স্থাপনের পর সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা অকার্যকরী হয়ে পড়েছে, কোথাও সৌরশক্তির লাইটের বদলে বসানো হয়েছে সাধারণ বিদ্যুতের এলইডি লাইট, কোনো প্রকল্পে তিন বছর ধরে সৌরবিদ্যুতের অগ্রগতি শূন্য।

পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ নিবিড় পরিবীক্ষণ ও প্রভাব মূল্যায়নবিষয়ক প্রতিবেদনের ৭২টি প্রকল্প সম্পর্কিত বিশ্লেষণ থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

১৬টি প্রকল্পে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ১১টি প্রকল্পেই সৌরবিদ্যুৎ ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে অবহেলার চিত্র দেখা গেছে। বেশিরভাগ প্রকল্পেই সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা অকেজো, আবার কোথাও অবহেলিত। কয়েকটি প্রকল্পে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কথা হলেও বিগত সময়ে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

২২০ আশ্রয়কেন্দ্রের সৌরবিদ্যুৎই অকার্যকর : নবায়নযোগ্য জ¦ালানির অবহেলার চিত্র দেখা গেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘উপকূলীয় ও ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্পে। এ প্রকল্পের আওতায় তিন বিভাগের ১৬ জেলার ৮৬ উপজেলায় নির্মিত ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়। আইএমইডির মূল্যায়ন হচ্ছে, এসব আশ্রয়কেন্দ্রের ২২০টি সোলার সিস্টেমই অকার্যকরী। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপন ও কার্যকরী তদারকির অভাবে সিস্টেমগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। দুর্যোগের সময়ে বিকল্প বিদ্যুৎ-সুবিধা থেকে উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

চাহিদার তুলনায় কম উৎপাদন : পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহের প্রকল্পেও নানা সমস্যা দেখা গেছে। আইএমইডি জানায়, এ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৩০০ থেকে ৩৫০ ওয়াট। স্থাপিত সোলার সিস্টেমের দৈনিক উৎপাদন-সক্ষমতা প্রায় ২৮০ ওয়াট। ফলে প্রতিদিনই শক্তির ঘাটতি তৈরি হচ্ছে ও ব্যাটারি দ্রুত ডিসচার্জের শিকার হচ্ছে; ব্যাটারির আয়ুষ্কাল কমে যাচ্ছে।

আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের শুরুতে সঠিকভাবে ‘লোড প্রোফাইলিং’ করা হয়নি। বিদ্যুতের প্রকৃত চাহিদা যাচাই না করেই সোলার সিস্টেম বিতরণ করা হয়েছে। ফলে সিস্টেমগুলোর সক্ষমতা কম হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পে সরবরাহকৃত জেল ব্যাটারি পাহাড়ি এলাকার উচ্চ তাপমাত্রায় ও আর্দ্রতায় উপযুক্ত নয়। এসব ব্যাটারি অতিরিক্ত লোড সামলাতে পারে না। কিন্তু ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত লোড ও একাধিক ব্যাটারি একসঙ্গে সংযুক্ত করায় শর্টসার্কিট, অগ্নিকা- ও ব্যাটারির দ্রুত ক্ষয়ের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। প্রতিবেদনে প্রকল্পটির সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার আরও বিভিন্ন অসঙ্গতি ও জটিলতার কথা বলা হয়েছে।

চরবাসী পেয়েছে জীবাশ্ম জ্বালানি

‘বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় ছোট দ্বীপ এবং নদীর চরের জন্য অভিযোজন উদ্যোগ’ প্রকল্পে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়নে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শুরু হলেও ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত এর আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৪১ দশমিক ০২ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি ৫০ শতাংশ। প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের মানুষের জন্য বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক অবকাঠামো স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। যেমন ৫০০ ইউনিট বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং ১৩২টি বাড়িতে সৌর এসি-ডিসি সিস্টেম স্থাপনের কথা রয়েছে। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ৮টি সৌরশক্তিচালিত হিমাগার ও ৬টি সৌরশক্তিচালিত সেচপাম্প স্থাপনের কথাও রয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। সৌর এসি-ডিসি সিস্টেম স্থাপনের কাজ ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত শুরুই হয়নি। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্যোগের অগ্রগতি এখনো শূন্য।

জানা গেছে, প্রকল্পের মূল টিএপিপিতে সোলার ন্যানো-গ্রিড স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল। নানা জটিলতায় প্রকল্পের মেয়াদ শুরুর কয়েক বছর পরও সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেম স্থাপনের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

সৌর লাইটের বদলে এলইডি : ‘ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রকল্পে’ দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং সৌরশক্তিচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের কথা থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মূল কার্যক্রমে তা রাখা হয়নি। এ ছাড়া রাস্তা, ড্রেন, ফুটপাত ও খেলার মাঠ নির্মাণে টেকসই প্রযুক্তি বা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সংস্থান না রেখে গতানুগতিক নকশা অনুসরণ করা হচ্ছে। সৌরশক্তির স্ট্রিট লাইটের বদলে সাধারণ বিদ্যুতের এলইডি স্ট্রিট লাইট বসানো হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ২০১৯ সালের মার্চে প্রকল্পটির শুরু, দুবার সংশোধনিত হয়ে দুই বছর মেয়াদ বেড়েছে; চলতি বছরের মে পর্যন্ত এর ভৌত অগ্রগতি ৭২ শতাংশ।

এক প্রকল্পে সৌরবিদ্যুতে ৫ বছরে অগ্রগতি ১৮.৬০ শতাংশ : উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পে মিনি  স্টেডিয়ামগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত। পরে মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রকল্পে সৌর বৈদ্যুতিক প্যানেল স্থাপনের জন্য মোট ৫ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ৯৯ লাখ ৯ হাজার টাকা। বরাদ্দের বিপরীতে আর্থিক অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও সৌর প্যানেল স্থাপনে এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

তিন বিমানবন্দরের প্রকল্পে অকার্যকর সোলার সিস্টেম : ২০২১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া যশোর, সৈয়দপুর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দরের রানওয়ের সারফেসে অ্যাসফল্ট ও কংক্রিট ওভারলেপিং প্রকল্প ২০২৩ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা, কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় ব্যয় না বাড়িয়ে মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত করা হয়। গত মে পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি মাত্র ৭৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬১ দশমিক ৮ শতাংশ। বিমানবন্দরগুলোর রানওয়ের এয়ারসাইড লাইট পরিচালনার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এর ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ সোলার সিস্টেম থেকে সরবরাহের কথা থাকলেও সোলার সিস্টেমটি বর্তমানে অকার্যকর। সোলার ইনভার্টার এবং ব্যাটারিও নষ্ট অবস্থায় রয়েছে।

পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনুমোদনহীন নকশা : ‘পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে সৌরশক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমোদনহীন স্থাপন, অনুমোদিত নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুসরণ না করা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতিসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। আইএমইডি জানিয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সৌরশক্তির নলকূপ বসানো হয়েছে। সোলার প্যানেল স্থাপনেও প্রকল্পের অনুমোদিত নকশা ও স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। সৌরশক্তির নলকূপগুলোর দ্রুত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

কাজে আসছে না অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ : চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় ভূ-উপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্পে সেচকাজ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের কোনো বিকল্প রাখা হয়নি। ফলে সেচের প্রয়োজন না থাকলে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ অন্য কাজে ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় উন্মুক্ত স্থানে বসানো সোলার পাম্প ও ডাগ ওয়েলের সোলার প্যানেলগুলোর নিরাপত্তাঝুঁকি রয়েছে।

আইএমইডি জানায়, সোলার প্যানেলগুলোকে বজ্রপাতজনিত ক্ষতি থেকে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সৌরবিদ্যুতের বিকল্প ব্যবহারের সুযোগ সীমিত এবং সৌর সরঞ্জামগুলোর চুরি হওয়া, ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে।

কাঁচামালের অভাবে বাস্তবায়িত হয়নি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট : ২০২২ সালের জুনে শুরু হওয়া দুগ্ধঘাটতির উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। তবে কাঁচামালের (গবাদিপশুর গোবর ও জৈব বর্জ্য) অভাবে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। খামারিদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে প্রকল্পে সোলার সরঞ্জামেরও ঘাটতি রয়েছে।

বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ ৫ বছরেও শুরু হয়নি : ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া ‘পৌরসভাগুলোতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবায়নাধীন আবাসিক ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পে ফ্ল্যাট নির্মাণের কাজ এগোলেও গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গিক ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। আইএমইডি বলেছে, প্রকল্প শুরুর ৫ বছরেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের জন্য প্রস্তাবিত পয়ঃনিষ্কাশন পরিশোধনাগার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়নি।

৮ বছরে অগ্রগতি ৫০ শতাংশ : ২০১৮ সালে শুরু হওয়া র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর নির্মাণ প্রকল্পটি ৫ বার মেয়াদ ও ১ বার ব্যয় বৃদ্ধির পরও ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি ৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাসহ প্যাকেজের অধীনে ৫০০ কেভিএ ডিজেল জেনারেটর, বৈদ্যতিক বিতরণ লাইন ও সাবস্টেশন স্থাপনের কাজ মাত্র ৫০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের এই সময়ে সরকারি প্রকল্পেই যদি সৌরবিদ্যুৎ বা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা না হয়, তাহলে বিষয়টি উদ্বেগের। আমরা বরাবরই বলে আসছি প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সোলার প্যানেল, সোলার সিস্টেমের বিভিন্ন সরঞ্জাম, খুচরা যন্ত্র ও যন্ত্রাংশের ব্যবসা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুতের ব্যবস্থা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নিম্নমানের যন্ত্রপাতিতে বাজার সয়লাব হয়েছে। এসব যন্ত্রপাতি ইলেকট্রনিক বর্জ্যে পরিণত হয়ে পরিবেশ দূষণ করছে।’

সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা প্রসঙ্গে ক্যাব উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ঘোষণাতেই থেকে যাবে, যদি এসব অপরাধমূলক কার্যক্রম এবং এসব তফসিলভুক্ত প্রক্রিয়ায় সরকারি অর্থ ও জনগণের অর্থ তছরুপের প্রতিকার না করা হয়।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত