লর্ডস টেস্টের পর পাকিস্তান দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল সাত ক্রিকেটারকে। এজবাস্টন টেস্টে পাকিস্তান দলে পরিবর্তন চারটি- সাইম আইয়ুব, গাজি ঘোরি, রাজাউল্লাহ, মোহাম্মদ ইমরান। এর মধ্যে সাইম ছাড়া বাকি তিন ক্রিকেটারেরই হয়েছে অভিষেক।
কিন্তু এতো কিছু করেও কিছু হয়নি পাকিস্তান দলের। লাঞ্চের আগেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ইংল্যান্ডের দাপুটে বোলিংয়ের সামনে। রান উঠেছে মাত্র ১০০।
টসের সময় অবশ্য অধিনায়ক বাবর আজম সাইম ও আজানের মতো তরুণদের প্রতিই ভরসার কথা জানিয়েছিলেন, ‘ বাইরের কথাবার্তা বা সমালোচনা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। নতুনদের জন্য এটি ভালো একটি সুযোগ।’
আউট হয়েছেন পাকিস্তানের আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসও। ৯ রান করে তিনি আউট হয়েছেন জফরা আর্চারের বলে।
আব্দুল্লাহ শফিক ৩, সাবেক অধিনায়ক শান মাসুদ ৫ রানে আউট হয়েছেন। এমনকি বাবর আজমও দাড়াতে পারেননি। ১৭ বলে এক বাউন্ডারিতে ৭ রান করার পর বোল্ড হয়েছেন জশ টাংয়ের নিচু হওয়া বলে।
মোহাম্মদ রিজওয়ানের জায়গায় উইকেট কিপার হিসেবে দলে জায়গা পাওয়া গাজি ঘোরি প্রথম বলেই দুর্দান্ত এক বাউন্ডারি শুরু করলেও টিকতে পেরেছেন ৫ বল।
বিরতির আগে আরেক অভিষিক্ত মোহাম্মদ ইমরানকেও আউট করেন জশ টাং।
সৌদ শাকিল ৩৭ আর রাজাউল্লাহ ১১ রান নিয়ে লাঞ্চ করতে যান।
পাকিস্তান একাদশ
আজান আওয়াইস, সাইম আইয়ুব, শান মাসুদ, আবদুল্লাহ শফিক, বাবর আজম (অধিনায়ক), সৌদ শাকিল, গাজি ঘোরি (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ আলী, রাজাউল্লাহ, মোহাম্মদ ইমরান ও মোহাম্মদ আব্বাস।
পাকিস্তান ক্রিকেটের হাল কেন ধরতে চান না ওয়াসিম আকরাম