আসিফ মাহমুদ বললেন

রাজনৈতিকভাবে দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ এএম

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পদোন্নতি করি, টাকা নিইÑ এটা কীভাবে সম্ভব?’

গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘অভিযোগ বনাম বাস্তবতা : এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুদকে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রকৃত তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকাকালে মন্ত্রণালয়ের পদায়ন-বদলিসংক্রান্ত ব্যাপারে তার বিষয়ে দুদকের সাম্প্রতিক যেসব অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যাচার বলে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ পর্যালোচনা করলে এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার কোনো ভিত্তি পাওয়া যায় না। বরং বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি পদোন্নতির ঘটনায় তাকে জড়ানো হয়েছে।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি অভিযোগে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করে অর্থ নেওয়ার কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ১১২ জনের চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিল। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ের ভিত্তিতেই এই দায়িত্ব বাতিল করা হয়। তিনি বলেন, ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর ১১২ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া হয়। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বর তাদের চলতি দায়িত্ব বাতিল করে মন্ত্রণালয়। ফলে সিদ্ধান্তটি ছিল আদালতের রায় বাস্তবায়নের অংশ। অন্য অভিযোগে ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও পছন্দের স্থানে পদায়নের বিনিময়ে প্রায় ২ কোটি টাকা নেওয়ার প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। অভিযোগটি করা হয় ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল। তবে পদোন্নতির আদেশ হয় ১১ মে। তিনি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত