ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, ফল শিগগির: চিফ হুইপ

বর্তমান সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতীয় স্বার্থ ও দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হবে।

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

ভারতের সঙ্গে বিগত সরকারের সময়ে করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব পর্যালোচনার ফলাফল খুব শিগগিরই জানানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের চুক্তি, বন্ধুরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল এবং এসব চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, আগের সরকারের করা চুক্তি ও ১০১টি এমওইউ নিয়ে সরকার পর্যালোচনা ও আলোচনা করছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। কোনো দেশকে শত্রু হিসেবে না দেখে সবাইকে বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করা হলেও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে করা বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি ইতোমধ্যে পর্যালোচনার আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি জাহাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। বর্তমান সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতীয় স্বার্থ ও দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হবে।

দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও অর্থ পাচার রোধে অর্থমন্ত্রী ১৮(ক) ধারা বাতিল করেছেন বলেও জানান চিফ হুইপ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন জনসভায় দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রধানমন্ত্রী নন, বরং পুরো দেশের প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্যও তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। দেশ ও জনগণের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের কার্যক্রমে কোনো ঘাটতি থাকলে তা তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে হুইপ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া ও এ. বি. এম. আশরাফ উদ্দিন নিজান উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত