বিমান থেকে নামলেই অপরাধী শনাক্ত

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ এএম

বাংলাদেশে প্রবেশের আগেই আন্তর্জাতিক যাত্রীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি শনাক্তের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন ব্যবস্থার অন্যতম লক্ষ্য হলোসন্ত্রাসবাদ, আন্তঃদেশীয় সংঘবদ্ধ অপরাধ, মানব পাচার, মাদক চোরাচালান, অবৈধ অভিবাসন এবং জাল ভ্রমণ নথির ব্যবহার প্রতিরোধ করা। এর ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যমান ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার তথ্য, সরকারি ওয়াচলিস্ট, ইন্টারপোলের রেকর্ড এবং অনুমোদিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ডেটাবেজের সঙ্গে যাত্রীদের তথ্য যাচাই করা যাবে। এতে যাত্রী বাংলাদেশের আকাশসীমায় আসার আগেই তথ্য বিশ্লেষণ করা হবে এবং সেখানে কোনো অপরাধী থাকলে বিমান থেকে নামামাত্রই শনাক্ত হবে।

বিমানবন্দরের পাশাপাশি স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও রেলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টগুলোও এর আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর আলাদাভাবে একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লি­ষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানায়, বর্তমানে দেশি-বিদেশি ৪০টি বিমান সংস্থা বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। প্রতিদিন গড়ে ৫০ হাজারের মতো যাত্রী আসা-যাওয়া করছেন শাহজালাল, শাহ আমানত, ওসমানীসহ সব বিমানবন্দরে। কিন্তু বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার না থাকায় যাত্রীবেশী অপরাধীরা সহজেই অপরাধ কর্মকা- চালিয়ে আসছে। নানা কৌশলেও অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। চোরাচালান ও মানব পাচারের ঘটনা ঘটছে বেশি। পাশাপাশি যাত্রী হয়রানির ঘটনাতো আছেই। লাগেজ নিয়েও ভোগান্তির অন্ত নেই। ইমিগ্রেশনে পূর্ণাঙ্গ তথ্যের ঘাটতি থাকায় অপরাধীরা কৌশলে বের হয়ে যাচ্ছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দুর্বল আখ্যায়িত করে সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে লোডাররা বিমান থেকে মালামাল নামানোর সময় পাচারের ঘটনা ঘটেছে। তা ছাড়াও লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড শাখায়ও অপরাধ চক্র গড়ে উঠেছে। যাত্রী পরিবহনকে কেন্দ্র করে পরিবহন কোম্পানির চালক ও দালালদের হাতে প্রতিনিয়ত হয়রানি হচ্ছেন যাত্রীরা। দর্শনার্থীদের শরীর তল্লাশি হয় না বললেই চলে। তা ছাড়া রানওয়েতেও অব্যস্থাপনা থাকছে। ইমিগ্রেশনে দুর্বলতা আছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রী শনাক্ত : আন্তর্জাতিক যাত্রীদের বাংলাদেশে পৌঁছানোর আগেই সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি শনাক্ত করতে অ্যাডভান্স স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের আগেই শনাক্ত করা হবে। কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ঢাকার আকাশসীমায় পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্ট যাত্রীর তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাবে। সেটি মিলিয়ে দেখা হবে বিভিন্ন সরকারি ও আন্তর্জাতিক ডেটাবেসের সঙ্গে। যাত্রী এআই ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে সে ‘অপরাধী’ কি না তা জানা যাবে। যাত্রীর আগাম তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা হবে।

সার্বিক বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিমানবন্দরগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকা- নিয়ন্ত্রণে এআই ক্যামেরাসহ উন্নতমানের যন্ত্রপাতি স্থাপনে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭টি দেশের সঙ্গে বিমান চলাচলের চুক্তি আছে, ওইসব দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। বিশেষ করে, তাদের সার্ভারের সঙ্গে আমাদের সার্ভারের তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়ে। আশা করছি, আগামী এক বছরের মধ্যে বিমানবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে ইমিগ্রেশনকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। বিমানবন্দরের স্ক্যানিং তল্লাশির সক্ষমতা বাড়ানোসহ যাত্রী ও কার্গোর নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সবই করা হচ্ছে।

বিমানবন্দর ও সীমান্ত নিরাপত্তায় মাস্টারপ্ল্যান : দেশের ইমিগ্রেশন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজাতে এবং আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আওতায় বিদ্যমান ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম, প্যাসেঞ্জার নেম রেকর্ড, ই-ভিজিট, ই-ভিসা এবং এআই-চালিত ‘সার্ভারেইন ডেটা অ্যানালিটিক্স প্ল্যাটফর্ম’ যুক্ত করা হবে। ইতিমধ্যে একটি প্রস্তাব সরকারের হাই কমান্ডের কাছে পাঠানো হয়েছে। অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনেরও অপেক্ষায় আছে মন্ত্রণালয়। এ জন্য অন্তত একশ কোটি টাকার ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি কেনার পরিকল্পনা আছে। সেগুলো শাহজালালসহ দেশের সবকটি বিমানবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়া বিমানবন্দরে নিরাপত্তা আরও বাড়াতে ইডিএস, ডুয়েল ভিউ এক্সরে স্ক্যানিং মেশিন, ডুয়েল ভিউ এক্সরে স্ক্যানিং মেশিন ফর কেবিন উইথ ট্রে রিটার্ন সিস্টেম, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং মেশিন ও এক্সপোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর (ইডিটি), লিকুইড এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম ও ডাবল ক্যাব পিকআপ, ইটিভি কনস্যুমেবলস ফর এক্সপোসি ট্রান্স ডিটেক্টর মেশিন সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে যা বলা হয়েছে : ২৩ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ইমিগ্রেশন পুলিশের সার্বক্ষণিক চালু থাকা মিশন-ক্রিটিক্যাল ইমিগ্রেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারের প্রায় ৮৫ শতাংশই পুরনো এবং ব্যবহারের উপযোগিতা হারিয়েছে। ফলে ইমিগ্রেশনের আগে অপরাধী শনাক্তকরণ, মানব পাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অভিবাসন ও ঝুঁকি নিরূপণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নতুন এআই-সমর্থিত সফটওয়্যার ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বমানের ইমিগ্রেশন সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এটি চালু হলে তদারকি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), পুলিশ সদর দপ্তর এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। ইমিগ্রেশন ডেটার শতভাগ মালিকানা, কাস্টডি ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ নিয়ন্ত্রণ থাকবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে। কোনো বেসরকারি বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সরাসরি মূল ডেটাবেজে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলোতে শুধু রোল-বেসড অ্যাক্সেস ও অডিট লগ বজায় রাখা হবে। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে সোর্স কোড, সিস্টেম ডকুমেন্টেশন, কারিগরি সক্ষমতা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নিবিড় প্রশিক্ষণ দিয়ে তা হস্তান্তর করতে হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ও বায়োমেট্রিক যাচাই : নতুন এই সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় ১০ আঙুলের ছাপ, আইরিস শনাক্তকরণ ও ফেসিয়াল রিকগনিশনের মতো উন্নত বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি যুক্ত হবে। একই সঙ্গে ইন্টারপোল, গ্লোবাল ওয়াচলিস্ট ও স্যাংশনস লিস্টের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি ও অপরাধীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেটাবেজে সার্চ করবে। এ ছাড়া ই-গেট, কিওস্ক ও স্পর্শহীন যাত্রী প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। স্মার্ট ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে সরকারের মূল বা রাজস্ব বাজেট থেকে প্রাথমিক কোনো মূলধনী বরাদ্দের প্রয়োজন হবে না। আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের এয়ার টিকিটের সঙ্গেই ‘গভর্নমেন্ট-অথরাইজড ইমিগ্রেশন বা বর্ডার ফ্যাসিলিটেশন চার্জ’ অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার প্রচলিত কাঠামোর মাধ্যমে সংগৃহীত চার্জ থেকে প্রকল্পের ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা : বেবিচক সূত্র জানায়, শাহ আমানত ও সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ। বিমানবন্দরের চারপাশে কাঁটাতারের ভেড়াগুলো জরাজীর্ণ। পাশে উঁচু ভবন আছে বেশ কয়েকটি, সেগুলোর ছাদে উঠে দেয়াল টপকে বিমানবন্দরের প্রবেশ করা যাবে। তা ছাড়া বিমানবন্দরের ভেতরে নিরাপত্তার ফারাক আছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের চারপাশও বেশ ঝুঁকিপুর্ণ। কাঁটাতারের বেড়াগুলো ছেঁড়া। বিমানবন্দরে যাত্রী আসা-যাওয়ার পর তল্লাশি করা হয় না। এমনকি নিরাপত্তার সরঞ্জামাদিরও অভাব রয়েছে। যশোর, বরিশাল ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের অবস্থাও প্রায়ই একই। ওইসব বিমানবন্দরে চারপাশ অনেকটা খোলামেলা। নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে যে কেউ ভেতরে প্রবেশ করতে পারে বলে বেবিচকের আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে বরিশাল বিমানবন্দরে ১৫টি ত্রুটি চিহ্নিত করেছে বেবিচক। রানওয়ের টিএইচআর ও সেন্ট্রাল লাইন মার্কিং নেই। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দেয়াল ভেঙে গেছে। আবার দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ভাঙা এবং দেয়ালের নিচের অংশের মাটি সরে গেছে। রাজশাহীর শাহ মুখদুম বিমানবন্দরেও একই অবস্থা। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা অন্য বিমানবন্দরগুলোর চেয়ে কিছুটা আলাদা।

এই প্রসঙ্গে বেবিচকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, দেশের সবকটি বিমানবন্দরেই নিরাপত্তার ঘাটতি আছে। শাহজালালের পর শাহ আমানত, ওসমানী, যশোর, কক্সবাজার, সৈয়দপুর ও বরিশাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। ফলে বিদেশ থেকে দেশে আসা অপরাধী ভিআইপিদের তল্লাশি করতে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই ওইসব বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনসহ ভেতর ও বাইরে এআই ক্যামেরাসহ উন্নতমানের যন্ত্রাংশ স্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মাদক কারবারিদের দিকে চোখ : মিয়ানমারের সীমান্ত পেরিয়ে ইয়াবা ঢোকে বাংলাদেশে। সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে পাহাড়ি পথ, পুরনো সড়ক কিংবা বিকল্প পথে ইয়াবা চলে যায় কক্সবাজার শহরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এজন্য সীমান্ত থেকে শহর পর্যন্ত ইয়াবা পাচারের এই লম্বা রাস্তায় নজরদারির উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। ইতিমধ্যে একটি চিঠি পর্যালোচনা করছে পুলিশ। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী, সমুদ্রপথ ও সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে আসছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তকে ইয়াবা প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

যেসব সীমান্তে থাকবে বেশি নজরদারি : পুলিশের চিঠিতে বলা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, বাংলাবান্ধা; দিনাজপুরের হিলি, লালমনিরহাটের বুড়িমারী, কুড়িগ্রামের রৌমারী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ, চুয়াডাঙ্গার দর্শনা, যশোরের বেনাপোল, সাতক্ষীরার ভোমরা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, সিলেটের তামাবিল, জকিগঞ্জ, শেওলা; শেরপুরের নাকুগাঁও, হবিগঞ্জের বাল্লা, কুমিল্লার বিবিরবাজার, খাগড়াছড়ির রামগড়, কক্সবাজারারে টেকনাফ, রামু, আলীকদম, থানচি; ফেনীর বিলোনিয়া, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িসহ আরও কয়েকটি এলাকায় এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবেশ করলে যাত্রীর প্রোফাইল চলে আসবে সার্ভারে। তা ছাড়া মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করা হবে। সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি ছোট ছোট রাস্তা দিয়ে মাদক আসার আশঙ্কায় সেখানে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসাতে হবে। সন্দেহভাজন ইয়াবা কারবারি ও তাদের সহযোগী চেকপোস্টের আওতায় এলেই ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। তা ছাড়া থাকবে ভেহিক্যাল স্ক্যানিং মেশিন ও লাগেজ স্ক্যানারও।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত