বর্জ্য দিলেই মিলবে পণ্য, সোয়ারীঘাটে ভাসমান বাজার

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৭৫টি ওয়ার্ডেই টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি চলছে। কর্তব্যে অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থা এবং মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

প্লাস্টিক ও বর্জ্যের দূষণ থেকে বুড়িগঙ্গাকে রক্ষা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জনগণকে সচেতন করতে শুরু হয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে শনিবার সকালে পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাট এলাকায় কার্যক্রমটির উদ্বোধন করা হয়।

সোয়ারীঘাটে একটি সাজানো লঞ্চকে সাময়িক ভাসমান বাজার হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। নদীর তীর ও আশপাশে ছড়িয়ে থাকা বর্জ্য সংগ্রহ করে জমা দিলেই বিনিময়ে উপহার হিসেবে মিলছে চাল, ডালসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, প্রাচীন ঢাকা গড়ে উঠেছিল এই নদীকে কেন্দ্র করে। অথচ যত্রতত্র বর্জ্য ফেলায় বুড়িগঙ্গার অস্তিত্ব এখন বিপন্ন। নদীকে বাঁচাতে না পারলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্জ্য রিসাইক্লিং করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার ও জ্বালানি উৎপাদনের কাজ প্রক্রিয়াধীন। বর্জ্য সম্পদে পরিণত হলে তা আর যেখানে-সেখানে ফেলা হবে না। এ ছাড়া ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৭৫টি ওয়ার্ডেই টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি চলছে। কর্তব্যে অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থা এবং মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে জমানো পানি পরিষ্কার রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। এতে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত