মঞ্চ, টেলিভিশন, ওটিটিতে কাজ করছেন অভিনেতা অমিতাভ রাজীব। তানভীর মোকাম্মেলের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ চলচ্চিত্রে নাম লিখিয়েছেন। বর্তমান ব্যস্ততা ও আগামীর পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অপূর্ব কুমার কুন্ডু তানভীর মোকাম্মেলের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ চলচ্চিত্রে যুক্ত হলেন কীভাবে? অভিজ্ঞতা কেমন?
নাট্যবন্ধু জুবায়ের জাহিদের মাধ্যমে অডিশনের খবর পেয়ে আবেদন করি। ৩০ জনের বেশি শিল্পীর মধ্যে আমরা পাঁচজন নির্বাচিত হই। শ্রদ্ধেয় পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল, উত্তম গুহ, চিত্রলেখা গুহ ও সগীর মোস্তফা স্যারের মতো গুণী মানুষদের সঙ্গে কাজ করা জীবনের অনন্য অভিজ্ঞতা।
শুনলাম দুর্গম এলাকায় শুটিং চলেছে, সেই কষ্টের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
গোপালগঞ্জের পাটকেলবাড়ির প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রথম ধাপের কাজ হয়। ১৮ কিলোমিটার গাড়িতে যাওয়ার পর এক ঘণ্টার পথ যেতে হতো ইঞ্জিনচালিত নৌকায়। প্রতিদিন সকাল ৭টায় রওনা হয়ে রাত ২টা-৩টায় ফিরতাম। অক্টোবরের মাঝামাঝিতে শেষ ভাগের শুটিং শুরু হবে, এখন তার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
মঞ্চ, টিভি নাটক ও ওটিটিতে আপনার ব্যস্ততা বাড়ছে। এর মধ্যে কী কী কাজ করলেন?
২০০৯ সালে ঢাকা ড্রামার ‘এখন দুঃসময়’ দিয়ে ঢাকার মঞ্চে সূচনা। এরপর বিবেকানন্দ থিয়েটার, নাট্যম রেপার্টরিসহ ছয়টি ভিন্ন দলের হয়ে বহু নাটকে কাজ করেছি। ভারতেও শো করেছি। গুণী অভিনেতা আবদুল্লাহ রানার নির্দেশনায় প্রামাণ্যচিত্রে প্রথম টিভিতে কাজ করি, এ পর্যন্ত ৫০টির বেশি নাটকে অভিনয় করেছি। ভিকি জাহেদের ‘একটি খোলা জানালা’ দিয়ে ওটিটিতে যাত্রা, এরপর ‘তাঁরাবাতি’ ও ‘গ্যাংস্টার ব্রো’স’-এ কাজ করেছি।
অভিনয়ে আসায় অনুপ্রাণিত হলেন কীভাবে?
আমার অভিনয়ে হাতেখড়ি শিক্ষক বাবার হাত ধরেই। মূলত থিয়েটার থেকেই পথচলা শুরু। অভিনয় প্রক্রিয়াটা বেশ উপভোগ করি, তাই টিভি নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে সুযোগ পেলে নিজের সামর্থ্যরে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি।
আগামীকাল (২১ সেপ্টেম্বর) আপনার জন্মদিন। দিনটি ঘিরে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা?
জন্মদিনে তেমন কোনো জাঁকজমক আয়োজন থাকে না। তবে এই দিনটিতে আমি নিয়ম করে স্বেচ্ছায় রক্তদান করি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে কিছু সামাজিক দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করি।