বেড়েছে সবজির দাম

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ এএম

বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে ফার্মের ডিম, ব্রয়লার মুরগি, চালের মতো পণ্যগুলো গত সপ্তাহের মতো একই দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বেসরকারি বাজারজাতকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পাস্তুরিত দুধের দাম বাড়িয়েছে।

ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কয়েক মাস ধরেই নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা চলছে। কখনো বাড়ছে, কখনো কমছে। এতে করে ভোক্তার অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছে জ¦ালানি তেলের দাম। সম্প্রতি ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তার প্রভাব বাজারে পড়তে শুরু করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহে সবজির দাম ছিল খানিকটা কমতির দিকে। তবে জ¦ালানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পর থেকেই তা আবার বেড়েছে। এর মধ্যে ছোট পটোল ও ঢ্যাঁড়শের কেজি ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় উঠেছে। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। ভালো মানের বাছাই করা লম্বা বেগুন বাজারভেদে ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। যা এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং কোনো কোনো বাজারে আরও বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে একটু কম বাছাই করা বেগুন যেটা ৯০ টাকায় ছিল সেটাও এখন ১০০ টাকা বা তারও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। করলার দাম কমে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছিল। এখন মানভেদে তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।

একইভাবে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে ঝিঙে, ধুন্দলসহ বিভিন্ন সবজিতে। তবে কাঁচা পেপের দাম আগের মতোই ৩০ টাকা কেজি দরেই পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।

রামপুরা কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা আরিফুল ইসলাম বলেন, পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে পাইকারি বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

তবে, ফার্মের মুরগির ডিম আগের সপ্তাহের মতো গতকালও প্রতি ডজন ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরেই বিক্রি করতে দেখা গেছে। একইভাবে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস আগের সপ্তাহের মতোই বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে।

ডিম মুরগির দামে স্থিতিশীলতা থাকলেও বেড়েছে পাস্তুরিত তরল দুধের দাম। সম্প্রতি বেসরকারি কোম্পানিগুলো প্রতি লিটার পাস্তুরিত দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়েছে। কিছুদিন আগে সরকারি দুধ বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটা লিটারে ১০ টাকা দাম বাড়ানোর পর থেকেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দাম বাড়ানোর সুযোগ খুঁজছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধ্েরই আটা ও ময়দার দাম বাড়িয়েছে সরবরাহকারী করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে যখন প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন খরচ বেড়েছিল তখন এই দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে তা আর কমেনি। এখনো একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে জ¦ালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে চালের দামে প্রভাব পড়েনি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত