বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের অমিয় বাণী নিবন্ধের শুরুতে উপস্থাপন করতে চাই। ‘জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। জীবন শেখায় সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শেখায় জীবনের মূল্য দিতে’। উল্লেখ্য, বাণী বিশ্লেষণে জীবন ও সময়ের মূল্য সম্পর্কে আমরা একটি ইতিবাচক ধারণা নির্মাণ করতে পারি। বর্তমান বিশে^ জীবনযুদ্ধে ক্ষত-বিক্ষত নাগরিক সমাজ অসম্ভব রকমের অসহায়ত্ব ধারণ করেই জীবনযাপন করছে। বড় সংকটটি হচ্ছে মানবিকতার চরম বিপর্যয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত, মারণাস্ত্র ব্যবহারে গাজা উপত্যকায় অগণিত প্রাণহানি ইত্যাদি ভয়ংকর যুদ্ধাহত অভিঘাত পুরো বিশ্বকেই দুমড়ে-মুচড়ে ফেলছে। মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা, পারস্পরিক সৌহার্দ-সম্প্রীতি কেমন জানি দ্রুত নির্বাসিত হতে চলেছে। মানবিক মূল্যবোধে শোভিত হওয়ার নতুন বার্তা দিচ্ছে সমসাময়িক জীবন ও সময় প্রবাহ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘প্রার্থনা’ কবিতার পঙ্্ক্তি ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর’ প্রাসঙ্গিকতায় উচ্চারিত। মূলত জ্ঞানের জগৎকে অধিকতর সম্প্রসারিত করে মানবকল্যাণকে সুদৃঢ় করার মোহনীয় শিক্ষাই পাথেয় হওয়া উচিত। এটিই হবে মানব সভ্যতা বিধ্বংসী চিন্তাচেতনাকে রুদ্ধ করার সুমহান কঠিন প্রাচীর। অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য হচ্ছে পরিশীলিত-পরিমার্জিত মানবসভ্যতার কল্যাণধর্মী মানসিকতার প্রস্তুতি গৃহ।
সামগ্রিক গণমুখী মঙ্গল সাধনে অর্জিত শিক্ষা পরিশুদ্ধ জ্ঞানে রূপান্তরিত না হলে শিক্ষার অর্থবহতা বিরূপ ব্যঞ্জনা তৈরি করবে। দেশপ্রেম, মাটি ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধ এবং নিজের অস্তিত্বকে সার্থক আবিষ্কারে শিক্ষা নবতর জ্ঞান সৃজনে প্রণিধানযোগ্য উপাদান হিসেবে সর্বত্রই আভাষিত। অভিনিবিষ্ট একীভাব; প্রকৃত শিক্ষার প্রাথমিক উৎসস্থল হচ্ছে ধর্ম-বর্ণ-দল-মত-অঞ্চল-শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম। পরিবার-প্রতিবেশ-সামাজিক পরিবেশ এবং আবহমান
কৃষ্টি-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। এটিই হতে পারে বংশপরম্পরায় ব্যবহারিক-আচরণগত অনুশীলন ও পরিচর্যার ত্রৈকালিক বিমোহন অভিযাত্রাই সর্বজনস্বীকৃত অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার পাঠ। ওই পর্যায়ে শিশু-কিশোর-তরুণদের শিক্ষা-কার্যক্রমের পটভূমিতে প্রত্যাশিত জাতি-রাষ্ট্রের পরিপূর্ণ ত্যাগ-তিতিক্ষা-অর্জন-বিসর্জনের বিস্তৃত ইতিহাস। পৃথিবী নামক এই গ্রহে অদ্যাবধি অনগ্রসর থেকে অগ্রসরমানতার পরিত্রাহি বিনিয়োগ ছিল শিক্ষা। শিক্ষার আধুনিক ও যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম, জ্ঞানসৃজনে সমৃদ্ধ গবেষণা, মেধাসম্পন্ন যোগ্যতর শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার যথার্থ নৈর্ব্যত্তিক পর্যালোচনা ব্যতিরেকে গুণগত মানবিক শিক্ষার বাস্তবায়ন সমধিক কল্পনাপ্রসূত। জীবনমান উন্নয়নে আদি অনুষঙ্গ; ঐতিহ্য-কৃষ্টি-সংস্কৃতি-মূল্যবোধ-নীতিনৈতিকতা-শুদ্ধাচারের শিক্ষাকে ন্যূনতম অবজ্ঞা করে আধুনিক শিক্ষার আবরণে প্রতারণা-মিথ্যাচার-কদাচার-পাপাচার ইত্যাদি ঘৃণ্য অপশিক্ষাকে প্রতিষ্ঠা করা শুধু অপরাধ নয়; কদর্য পাপ হিসেবেও নির্ণীত। এজন্যই জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মানবিক শিক্ষার উন্নততর ক্ষেত্র তৈরিতে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়াকে অবশ্যই সর্বাধিক প্রাধান্য দিতে হবে।
প্রকৃতপক্ষে অতীতের সামাজিক উত্তরাধিকার ধারায় অর্জিত সব মার্জিত-শৃঙ্খলিত-নান্দনিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার সমাহারই হলো সামাজিকীকরণ। ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য যেকোনো শিশুকে উল্লিখিত আদর্শিক সামাজিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচলিত মূল্যবোধ-রীতিনীতি এবং নৈতিক-আদর্শিক ভাবনা-ধারণায় প্রমোদিত করা সমাজের অত্যাবশ্যকীয় কর্তব্য। পরিবেশ-প্রতিবেশ ভিত্তিক সহযোগিতা-সহমর্মিতা, পরিবারের প্রতি আনুগত্য ও দায়িত্ব এবং মাঙ্গলিক চরিত্র গঠনের দীক্ষাই হবে এই পর্যায়ের জ্ঞান-প্ররোহ। এরই অনুকরণ-প্রতিপালনে আজীবন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
থাকা এবং আধুনিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-যুগোপযোগী দীপন অন্বেষণে সামাজিকীকরণ ধারার প্রতিফলন অনস্বীকার্য। বিজ্ঞ সমাজবিজ্ঞানীরা সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়াকে নানাভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। অনেকের মতে, ‘সামাজিকীকরণ হলো সেই প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মানুষ যা করতে বাধ্য, তা করতে আগ্রহী হয়। অর্থাৎ একটি সমাজের এমন কিছু রীতি ও ঐতিহ্য থাকে, যা কেবল তখনই টিকে থাকতে পারে, যখন তার নতুন সদস্যরা সেগুলো শেখে এবং গ্রহণ করে। কিন্তু সামাজিকীকরণের মাধ্যমে মানুষ কেবল সংস্কৃতি দ্বারা নির্ধারিত চাহিদা ও প্রেরণা অর্জন করে না, বরং ব্যক্তিত্বের আরও অনেক দিকও অর্জন করে। তারা ভাষা, জ্ঞান ও দক্ষতা, নির্দিষ্ট রীতিনীতি ও মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার এবং বিভিন্ন ভূমিকা সম্পর্কে কাজ করার ক্ষমতা অর্জন করে।’ প্রকৃত অর্থে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মানসিক-জৈবিক-পারিপার্শ্বিক, প্রায়োগিক আচার-আচরণ-ব্যবহার, মননশীলতা-সৃজনশীলতাসহ মানবিকতার পরিশুদ্ধ-সঙ্গত-সংযত শিক্ষণ পাঠোদ্ধারে ঋদ্ধ হয়।
প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষের অন্যতম আলোকবর্তিকা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত অমিয় বাক্যগুলো স্মরণ করা যেতে পারে ‘সদা সত্য কথা কহিবে। যে সত্য কথা কয়, সকলে তাহাকে ভালোবাসে। যে মিথ্যা কথা কয়, কেহ তাহাকে ভালোবাসে না, সকলেই তাহাকে ঘৃণা করে’, ‘আমি যে সময়ে যে কাজ, সে সময়ে সে কাজ করি। এজন্য বাবা আমাকে ভালোবাসেন। আমি তার কাছে যখন যা চাই, তা-ই দেন। যদি আমি এখন, পড়িতে না গিয়া, তোমার সহিত খেলা করি, বাবা আমাকে আর ভালোবাসিবেন না।’ বিশ্বখ্যাত বরেণ্য জ্ঞানসাধকসহ প্রায় সব মনীষীর পথচলা ও পথ প্রদর্শন পরিক্রমায় শিক্ষাই ছিল অতীন্দ্রিয় উন্মোচন। ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদ-’ এই প্রচলিত প্রবাদবাক্য শুধু বাচনিক প্রকরণে নয়, প্রদেয় বিবেচনায় সর্বকালেই সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ বাহন ছিল। শিক্ষাকে সংজ্ঞায়িত করতে বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী জে. ফেরান্তে বলেছেন, ‘ব্যাপক অর্থে, শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত হলো সেসব অভিজ্ঞতা, যা চিন্তাভাবনা ও ব্যাখ্যার উদ্রেক করে অথবা যা বিকাশমান ব্যক্তির মানসিক ও শারীরিক সম্ভাবনাকে প্রশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল ও বিকশিত করে।’ খ্যাতিশীর্ষ সমাজবিজ্ঞানীদের মতে; শিক্ষার ধরন ও প্রকৃতি-পরিধি ভিন্ন ব্যক্তির জন্য ভিন্ন পরিবেশ তৈরি করতে পারে। শিক্ষার বিশ্বস্বীকৃত প্রতিপাদ্য কার্যক্রম হচ্ছে; সমাজ-সভ্যতার গ্রহণযোগ্য উত্তরণ, সব ব্যক্তি-সম্প্রদায়-জাতি- গোষ্ঠীগুলোকে অনন্য সামাজিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধকরণ, জাতীয় পরিচয়-চরিত্র গঠনের নিষ্কলুষ চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণ, সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ, জাগতিক জীবনের প্রবেশে কর্মযোগীর পর্যাপ্ত বিচিত দক্ষতা অর্জনে প্রস্তুতি গ্রহণ, আত্মমর্যাদা-আত্মসম্মান-আত্মনির্ভরশীলতার নৈতিকতা-মূল্যবোধ নির্ধারণ ইত্যাদি। আধুনিক জ্ঞান সভ্যতার কিংবদন্তি অে বক্ষক দর্শনশাস্ত্রের জনক মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মতানুসারে মূল্যবান পোশাক-পরিচ্ছদ বাইরের আবরণ মাত্র। মানুষের সত্যিকার সৌন্দর্য হচ্ছে হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত জ্ঞান। তিনি বলেছিলেন, ‘জ্ঞানই সর্বোত্তম গুণ’, ‘জ্ঞানই শক্তি’। শিক্ষা ও জ্ঞানের নিগূঢ় বিভাজন গর্বিত উপলব্ধিতে আনা না হলে প্রত্যয় দুটির ব্যাখ্যা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। সত্যিকার জ্ঞান হলো শিক্ষার বিচিন্তিত উচ্চাসন এবং উৎকৃষ্ট কৃতাহ্নিক। সক্রেটিস মূলত সত্যাশ্রয়ী জ্ঞানের প্রকৃত ধারক ছিলেন বলেই মিথ্যার কাছে আত্মসমর্পণ না করে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা অধিকতর শ্রেয় মনে করেছেন। এই সত্য-প্রচার অপরাধেই তাকে হেমলক গাছের ভয়ানক বিষাক্ত রস-বিষ পানে আত্মাহুতি দিতে হয়েছিল।
জ্ঞানসাধক ডায়োজিনিস জ্ঞান অনুসন্ধানে জীবনে কখনো বিছানায় শুয়ে বিশ্রাম করেননি। জ্ঞানের আরেক মহানসাধক অ্যারিস্টটল সম্পর্কে মহাবীর আলেকজান্ডার বলেছিলেন, ‘আমার জীবনের জন্য হয়তো আমি আমার জন্মদাতা পিতার কাছে ঋণী। কিন্তু আমাকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য সত্যিকার মানুষ করে গড়ে তুলেছেন আমার শিক্ষাগুরু অ্যারিস্টটল’। ভারতের জাতীয় ভাবধারার কালোত্তীর্ণ প্রাণপুরুষ রাজা রামমোহন রায় বাল্যকাল থেকে শিক্ষা অর্জনকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন এবং গবেষণালব্ধ সন্ধিক্ষণের মাধ্যমে হিন্দু ধর্মের প্রচলিত সাকার উপাসনা বা মূর্তিপূজাকে অস্বীকার করে বই রচনা করার জন্য পিতা কর্তৃক পরিবার পরিত্যক্ত হন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের আদি জনক হিপোক্র্যাটিসের অমর বাণী ছিল ‘জীবন খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা দীর্ঘতর। সুদিন চলে যাচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা বিপজ্জনক এবং বিচার বিবেচনা করাও খুব কঠিন কাজ। তবুও আমাদের তৈরি থাকতে হবে, সে শুধু আমাদের নিজের সুখের জন্য নয়। অপরের জন্যও।’ কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, ভারতবর্ষে শিক্ষাকে জ্ঞান অর্জনের পথে নয়; বরং শাসকগোষ্ঠীর হীন স্বার্থ চরিতার্থে লুম্পেন কর্মকর্তা-কর্মচারী তৈরি ছিল মুখ্য উদ্দেশ্য। ঔপনিবেশিক আমলে শাসক-শোষকদের কুআদর্শ ও কুনীতির সমর্থনে অবিচল থাকার মানসিকতা সৃষ্টি করা ছিল ব্রিটিশ শিক্ষানীতি ও ভূমি ব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্য। ১৮৩৫ সালে ইংরেজি শিক্ষা প্রচলনের পক্ষে টমাস ব্যারিংটন মেকলের বক্তব্যে এটি সুস্পষ্ট যে; শুধু চাকরি-আমলা সৃষ্টি-ব্রিটিশ শাসনযন্ত্র সচল রাখার জন্য বিভিন্ন স্তরের কর্মসংস্থান তৈরির মূল পরিকল্পনা, অবশ্যই জনশিক্ষার প্রসার বা দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নয়।
মনীষী কার্ল মার্কস শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসেবে উৎপাদনশীল শ্রমের সঙ্গে কায়িক ও মানসিক শ্রমের সংযুক্তি সাধনের মাধ্যমে পরিপূর্ণ বিকশিত মানুষ সৃষ্টির বিষয়টিকে শিক্ষার প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘মানুষ’ কবিতার পঙ্ক্তি ‘গাহি সাম্যের গান মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’-এর বোধগম্যতা অতীব জরুরি। মহান স্রষ্টার সৃষ্ট মানব জাতি সৃষ্ঠির সেরা জীব হিসেবে বিবেচ্য। কবি অত্যুজ্জ্বল উপমায় যে মানবিকতার জয়গান প্রকাশ করেছেন, তারই আলোকে শিক্ষা কার্যক্রমকে সাজিয়ে শিক্ষার্থীদের বোধের গভীরে মনুষ্যত্ব-মানবিকতা প্রোথিত করতে হবে। স্বজাত্যবোধের অহংকারে গর্বিত হয়ে মানবিক শিক্ষার সামাজিকীকরণকে প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত সুনিশ্চিত করা না হলে জাতির সব গৌরবদীপ্ত অর্জনের আলোকিত পথ রুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা অমূলক নয়। এমনটি তো কাম্য হতে পারে না। সমকালীন সময়ে সব ধরনের পাশবিকতা, ব্যভিচার, নির্মমতা পরিহার করে অপরাধমুক্ত পরিপূর্ণ নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠা হোক নাগরিক অঙ্গীকার।
লেখক : শিক্ষাবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী