দেশে ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচের বিক্রয়, বিপণন, আমদানি-রপ্তানিসহ সব ধরনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ‘ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিষয়ে তরুণদের জন্য আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে তারা এ দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, তামাক কোম্পানির কূটকৌশলের ফলে তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেটের ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। এসব পণ্যের ব্যবহার নতুন প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই তরুণদের সুরক্ষা এবং তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
কর্মশালায় তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব, তামাক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা ও প্রাসঙ্গিকতা এবং সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তরুণদের ধারণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে তরুণদের সক্রিয় ও অর্থবহ অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা সংশোধিত আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরার পাশাপাশি আইন শক্তিশালীকরণে তরুণদের ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের পরবর্তী সময়ে অ্যাডভোকেসির বিভিন্ন ধাপ, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম এবং তরুণদের করণীয় বিষয়েও অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।
এ সময় তামাকজাত পণ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের উপপরিচালক মোখলেছুর রহমান, সিটিএফকের আবদুস সালাম মিয়া, তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।