রিহ্যাবের বক্তব্য

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ এএম

রিহ্যাবের পক্ষ থেকে সিডিএকে যেসব প্রস্তাবনা বা সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল সেগুলোর প্রায় সবই যুক্ত করা হয়েছে মাস্টার প্ল্যানে। তবে নগরীর পরিকল্পিত বিকাশের জন্য জোনভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্রয়োজন। একই সঙ্গে সিডিএ’র আবাসিক এলাকাগুলোতে কিংবা অন্যান্য এলাকায়ও একাধিক প্লটটি একত্রিত করে প্রকল্প নিতে রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোকে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

এবারের নতুন মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আমরা আশাবাদী। আমরা চাই দ্রুত তা অনুমোদন শেষে বাস্তবায়ন শুরু হোক। তবে নগরের ভেতরে যেভাবে জনসংখ্যার চাপ বাড়ছে, তাই বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া উপায় নেই। এজন্য মাস্টার প্ল্যানে উপজেলাগুলোতে আরবান সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উপজেলাগুলো হয়তো এর সুফল পাবে।

পরিকল্পিত উন্নয়নের অন্যতম শর্ত হলো একটি যুগোপযোগী মাস্টারপ্ল্যান। আর এর আলোকেই আগামীর উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। চট্টগ্রাম নগরের এবারের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে অংশীজনদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিটিং করছে এবং সুপারিশও গ্রহণ করছে, যা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। এই নগরীর অনেক পুকুর ২০ থেকে ২৫ বছর আগ থেকে না থাকলেও বিএস রেকর্ডে পুকুর রয়ে গেছে। এমন স্থানগুলোতে সিডিএ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিলে মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত