দুই মাসের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো আকস্মিক বন্যায় নেপালে ২০৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৬৫০ জনের বেশি মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্র্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে গতকাল সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, ৯ জন বিদেশিসহ ৯৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আকস্মিক বন্যার পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়, বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত গোর্খা জেলায় উদ্ধারকাজে ৭০০-র বেশি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
নেপালি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে তারা চারটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিধসের কারণে উজানে নদীর গতিপথ আটকে যাওয়ায় এই আকস্মিক বন্যা হয়ে থাকতে পারে। গোর্খার গ্রামীণ পৌরসভা আরুঘাটের সরকারি কর্মকর্তা টেক বাহাদুর অধিকারী বিবিসিকে বলেন, রবিবারের বন্যার কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছিল না। তিনি আরও বলেন, আগে আমরা ভাবতাম, ভারী বৃষ্টি হলে বন্যা হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বন্যার জন্য ভারী বৃষ্টির প্রয়োজন নেই। বৃষ্টি না হলেও এমন বন্যা হয়েছে। আগস্টে নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা নতুন করে জাগিয়েছে। ওই বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন।