ডেঙ্গুতে দ্রুত সুস্থ হতে যেসব খাবার খাবেন

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩২ এএম

ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু ও বড়দের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। এ রোগে জ¦র, বমি, শরীরব্যথা ও পানিশূন্যতার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়ার পাশাপাশি রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও তৈরি হয়। তাই ডেঙ্গু হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ জরুরি।

পানিশূন্যতা রোধে তরল খাবার : ডেঙ্গুতে জ¦র ও বমির কারণে শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে। এ সময় পানি, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি, স্যুপ ও ফলের রস খাওয়া যেতে পারে। অল্প অল্প করে বারবার তরল পান করা ভালো। তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তরলের পরিমাণ চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

পুষ্টিকর খাবার : শরীরের শক্তি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে ভাত, খিচুড়ি, স্যুপ, ডাল, ডিম, মাছ, দুধ ও দই খাওয়া যেতে পারে। সহজপাচ্য খাবারের পাশাপাশি প্রোটিন শরীরের টিস্যু মেরামতে সহায়তা করে। ক্ষুধা কম থাকলে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে কয়েকবার খাবার খাওয়া ভালো।

ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার : কমলা, মাল্টা, পেয়ারা, পেঁপে, কলা ও অন্যান্য তাজা ফলের পাশাপাশি শাকসবজি শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে। তবে কোন নির্দিষ্ট খাবার বা ফল সরাসরি প্লাটিলেট বাড়ায় এমন পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। পেঁপে পাতার রসও ডেঙ্গুর স্বীকৃত চিকিৎসা নয়।

যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন : ডেঙ্গুতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে অ্যাসপিরিন ও আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তক্ষরণ, অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, ডেঙ্গুতে শুধু খাবার নয়, চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও যথাযথ পরিচর্যাই সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত