ভারত থেকে নতুন ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগির প্রথম চালান চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে পাকশী বিভাগের কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ৩টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে বগিগুলো প্রবেশ করে। এরপর দর্শনা কাস্টমসে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রেলকোচগুলো সৈয়দপুরের কারখানায় নেওয়া হবে।
রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানান, ১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাপরতলা এলাকা থেকে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ গুলোযাত্রা শুরু করে। এরপর কোচগুলো কলকাতার রানাঘাট স্টেশনে অবস্থান করে। শুক্রবার দুপুরে রওনা দিয়ে ভারতের গেদে চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিকতা শেষে চুয়াডাঙ্গা দর্শনা জয়নগর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর তারা বগিগুলো বুঝে নেন।
লাল সবুজ রঙে রাঙানো বগিগুলোর মধ্যে তিনটি করে এসি চেয়ার কোচ, বাথ, লাগেজ ভ্যান ও ১১টি শোভন চেয়ার কোচের বগি রয়েছে।
তারা জানান, ২০২৪ সালের মে বাংলাদেশ সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রডগেজ রেলকোচ কেনার জন্য ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে। ভারত থেকে আসা বগিগুলো সৈয়দপুর রেলওয়ের কারখানায় নেওয়ার পর সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রেলের বহরে যুক্ত হবে।
রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম জানান, ভারত থেকে আসা ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগিগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরির রয়েছে। যাত্রী সেবার মান বাড়াতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে পশ্চিম অঞ্চলের যাত্রী সেবার মান অনেক বেড়ে যাবে। রেলখাতের আয় বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া বগিগুলো মানসম্মত ও উন্নত মানের বলে জানান তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলবগি সরবরাহ করছে বাংলাদেশে। এছাড়া আরও কয়েক ধাপে ২০০ কোচ সংগ্রহ করা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন করে যুক্ত হবে কোচগুলো। পাকশী বিভাগের রেলওয়ে কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচগুলো গ্রহণ করেন। ভারত থেকে এখনও ১৮২টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলবগি দেশে আসার কথা রয়েছে।
ট্রেনের লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে আসা ট্রেনই লাইনচ্যুত!
বগি রেখেই ছুটল ট্রেন