যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কায় ইরান তাদের সামরিক প্রস্তুতি ব্যাপকভাবে জোরদার করছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর বর্তমান সংঘাত অনেকটা অচলাবস্থায় রূপ নিলেও, ইরানের সামরিক নেতৃত্ব দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কর্মকর্তারা হুমকি দিয়েছেন যে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে এবার হামলার পরিধি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ বা ভারত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
তেহরান এবার এমন কিছু জায়গায় আঘাত হানার পরিকল্পনা করছে যা আগে কখনো করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের তলদেশে থাকা সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টার এবং আঞ্চলিক তেল ও গ্যাস স্থাপনা।
লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার জন্য ইরান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর উন্নত ড্রোন বহর তৈরি করছে, যা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে সক্ষম। এছাড়া ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের গতি বাড়িয়ে সেগুলোকে সুপারসনিক করার চেষ্টাও চলছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কারাবন্দি এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে নতুন যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। একই সঙ্গে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছেন তিনি।