সেই গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২১ এএম

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে দেখা যায় রেললাইন-লাগোয়া দেয়ালের অপর পাশে মাদক সেবন করছে এক ব্যক্তি। এসআরবি ও ডিএনসি সদস্যদের যৌথ অভিযানে তাকেসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গতকাল সোমবার বিকাল ৩টায় সেখানে অভিযানের সময় দেয়াল টপকে কলাগাছের ঝোপঝাড় থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সদস্যরা। নিজেকে আশরাফ উদ্দীন পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘স্যার, আমি খাই স্যার’।

এ বিষয়ে ডিএনসির ঢাকা দক্ষিণের উপ-পরিদর্শক আসহাব উদ্দীন বলেন, এদের কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ নেই। এগুলোকে তারা খুব স্বাভাবিক বিষয় মনে করে। অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তারদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মোহাম্মদ তাওশিফ শরিফ স্নিগ্ধ। গ্রেপ্তারকৃদের তিন মাস করে কারাদন্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে।

এদিনই গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ রেললাইন ক্রসিংয়ের পশ্চিম পাশে ঘুণ্টিঘর এলাকায় ছদ্মবেশে এসআরবি-৩ ও ডিএনসি সদস্যরা অভিযানে গেলে সেখানে থাকা লোকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। অনেকে দেয়াল টপকে পালিয়ে যান। অভিযানের আগেও সেখানে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন করতে দেখা যায়।

ডিএনসির ঢাকা দক্ষিণের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, এরা সবাই ভাসমান। এরা এখানে আসে তারপর আবার চলে যায়। আমরা অভিযান পরিচালনা করলে এরা চলে যায়। আবার আমরা যখন চলে যাই, তখন ওরা আসে। এ জন্য এদের নির্মূল করা যায় না।

এর আগে গত শনিবার সেখানে অস্ত্র হাতে ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ যান ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। ওই ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়ালে বিতর্ক তৈরি হয়। দিনভর নানা আলোচনার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা দেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত