‘প্রবারণা পূর্ণিমা’ উৎসবে মেতেছে রাঙামাটি

সকালে রাঙামাটি সদরের বালুখালি এলাকার ‘তপোবন অরণ্য কুটিরে’ হাজারো বৌদ্ধ নর-নারীর ঢল নামে। সাদা পোশাকে সমবেত পুণ্যার্থীদের প্রার্থনা আর ‘সাধু সাধু’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কুটির প্রাঙ্গণ।

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ পিএম

‘প্রবারণা পূর্ণিমা’ উপলক্ষে বর্ণিল আনন্দে রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব। আগামী ২৫ অক্টোবর  ‘প্রবারণা পূর্ণিমা’র মূল অনুষ্ঠান হলেও আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে জেলার বিভিন্ন বিহারে বৌদ্ধধর্মালম্বীদের  নানা ধর্মীয় আয়োজন শুরু হয়েছে। ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান।

বাসস জানায়, আজ সকালে রাঙামাটি সদরের বালুখালি এলাকার ‘তপোবন অরণ্য কুটিরে’ হাজারো বৌদ্ধ নর-নারীর ঢল নামে। সাদা পোশাকে সমবেত পুণ্যার্থীদের প্রার্থনা আর ‘সাধু সাধু’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো কুটির প্রাঙ্গণ। এ সময় সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান ও বুদ্ধপ্রতিবিম্ব দানসহ নানা পুণ্যকর্ম সম্পাদন করা হয়।

পাহাড়েরর দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজারো পুণ্যার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান শুরুর দিকে দেশের মানুষের মঙ্গল কামনায় সমবেত ভাবনা ও প্রার্থনা করা হয়।

সংঘপ্রধান হিসেবে উপস্থিত থেকে পুণ্যার্থীদের পঞ্চশীল প্রদান করেন ও ধর্মদেশনা দেন, বনভান্তের শিষ্যসংঘের প্রধান ও রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ভদন্ত প্রজ্ঞালংকার মহাথের। এ সময় অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ তিন মাসের প্রথাগত ‘বর্ষাবাস’ (উপাসনা ও ধ্যান) যাপন শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এখন মানবকল্যাণে ধর্ম প্রচারে বেরিয়ে পড়বেন। ২৫ অক্টোবর উদযাপিত হবে মূল প্রবারণা পূর্ণিমা। আর এ শুভ তিথির পরদিনই সূচনা ঘটবে বৌদ্ধদের পরম পবিত্র ও কাঙ্ক্ষিত মাসব্যাপী ‘কঠিন চীবর দান’ উৎসবের।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত