হবিগঞ্জে আইফোনের জন্য বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা 

হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে একটি ডোবায় ফেলে রাখা হয়।

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ এএম

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে আইফোনের  লোভে পড়ে তারেক মিয়া (২২) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধু সাহেলের বিরুদ্ধে । 

হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে একটি ডোবায় ফেলে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে তারেকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে লাখাই ও নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ।

নিহত তারেক মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার চৌশতপুর গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। অভিযুক্ত সাহেল একই গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর রাজমিস্ত্রির কাজ করতে তারেক ও সাহেল লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে সুরের রহমানের বাড়িতে আসেন। সেখানে কাজ করার সময় তারেকের ব্যবহৃত আইফোন ১১-এর প্রতি সাহেলের লোভ জন্মে।  পরদিন ২২ অক্টোবর রাতে কৌশলে তারেককে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে পাশের একটি ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান সাহেল।

এদিকে তারেক বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা নবীগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত সাহেলকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে লাখাই ও নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে তারেকের মরদেহ উদ্ধার করে।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য   হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত