বিএনপি চায় না নির্বাচন কমিশন সংস্কার হোক বলে মন্তব্য করেছে শিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
তিনি বলেন, সামনে সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোকে বিএনপি নিজেদের মতো করে ম্যানিপুলেশন করতে চায়। তাদের মতো করে মাগুরা মার্কা, শেরপুর মার্কা, পটুয়াখালী মার্কা নির্বাচন সামনে আবার দিতে চায়। এই কারণে তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। তারা চায় না নির্বাচন কমিশন সংস্কার হোক।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১০টার পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারা পিএসসি সংস্কার করতে চায় না বলে অভিযোগ করে শিবির সভাপতি বলেন, ভাইবা নাম্বার ৫গুন পর্যন্ত বাড়িয়ে আবার তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের চাকরিতে পুনর্বহাল করার এবং শুধুমাত্র লিস্ট দিয়ে নিজেদের নেতাকর্মীদের চাকরি দেওয়ার জন্য জনগণের সঙ্গে, তরুণ প্রজন্মের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করার সহজ কৌশল করছে তারা।
এ সংক্রান্তে আরও অভিযোগ করে তিনি বলেন, চা খাওয়ার দাওয়াতের নাম করে পিএসসির সদস্যদেরকে মদদ করানোর হচ্ছে। জনগণের সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের চাকরি নিয়ে আবারও এই বেইমানি এবং প্রতারণা বন্ধ করুন। হাসিনা রাষ্ট্রীয়ভাবে ফ্যাসিবাদকে যেমন দখল করতে পারনেনি সেই দখল আপনাদের সামলানোর ক্ষমতা হবে না।
ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসের রাজনীতি করার জন্য ছাত্রদল আবার উঠেপড়ে লেগেছে অভিযোগ করে শিবির সভাপতি বলেন, সেই রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের নিয়ে এসে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। তারা সবকিছু ভুলে গিয়েছে। বিগত ১৭ বছরে তাদের খোঁজ ছিল না। এখন অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফ্যাসিবাদদের দোসরদেরকে নিজেদের দলে নিয়ে মহাক্ষমতা জাহির করছে।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (ডাকসু-ভিপি) আবু সাদিক কায়েম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি (চাকসু-ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, ঢাকা ৪-এর এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু মুসা, শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফিসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।