উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সরকার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে হেলথ সেন্টারে চিকিৎসক থাকবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ডিভিশন করা হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সঙ্গে একীভূত করে দ্বিতীয় শিফট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ পিএম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যা এবং পরবর্তীতে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে ২৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টি, পাঁচ হাজার চিকিৎসক ও আড়াই হাজার নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, জনবল সংকট, ওষুধ সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ নেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সরকার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি করে হেলথ সেন্টারে চিকিৎসক থাকবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ডিভিশন করা হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সঙ্গে একীভূত করে দ্বিতীয় শিফট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ম্যানপাওয়ার নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই-কোনো খেয়ালই করা হয়নি।’’ তিনি জানান, স্বাস্থ্যখাতে ইতোমধ্যে ২৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাঁচ হাজার চিকিৎসক ও আড়াই হাজার নার্স নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে। আউটসোর্সিং প্রথা বাতিল করে স্থায়ী জনবল নিয়োগের বিষয়েও মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোগীদের খাবারের বরাদ্দ বাড়ানোর কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগে রোগীপ্রতি খাবারের বরাদ্দ ছিল ১৭৫ টাকা। এটি বাড়িয়ে ২৫০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ ডায়েটের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় কয়েকজন চিকিৎসককে দেরিতে আসতে দেখে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হাসপাতালে দালাল চক্রের অভিযোগের বিষয়েও তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

 


 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত