ঈশ্বরগঞ্জে ৯ মামলার আসামি ফারুক গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৫টি কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট ও তিন গ্রাম হেরোইনসহ মো. ফারুক মিয়া (৫১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আগের আটটি মামলা রয়েছে। নতুন মামলাসহ মাদকসংক্রান্ত মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয়টিতে। স্থানীয়ভাবে তিনি মাদক ‘সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত।
 

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বগাপুতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং গৌরীপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকারের দিকনির্দেশনায় ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে উপপরিদর্শক (এসআই) উমর ফারুক ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহ আলমসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে ফারুকের কাছ থেকে ১৫টি কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৪ হাজার ৫০০ টাকা। এ ছাড়া তিন গ্রাম হেরোইনের বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় ধাওয়া খেয়ে প্রায় এক মাইল দৌড়ানোর পর তাঁকে আটক করা হয়।

পুলিশের নথি অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ফারুক মিয়ার বিরুদ্ধে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আটটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর অধীনে এবং পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা করা হয়। এসব মামলার কয়েকটিতে অভিযোগপত্রও দেওয়া হয়েছে। তিনি উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বগাপুতা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূল এবং যুবসমাজকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পুলিশ কাজ করছে। মাদক ব্যবসায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত