গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে সহিংসতার ছবি তুলতে গিয়ে হামলায় প্রাণ হারালেন তৌফিক শেখ (২১)। গত সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মির্জাপুরে তিনি হামলায় আহত হন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি লায়লা গার্মেন্টেসের শ্রমিক ছিলেন।
জানা যায়, পূর্ব মির্জাপুরে নোমান টেরি টাওয়েল লি.-এর সামনের সড়কে নোমান টেরি টাওয়েল লি. ও তালহা ফেব্রিকস লি.-এর শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে এসে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় অনেকে সহিংস হয়ে ওঠেন। কেউ কেউ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের গেট ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ভাঙার জন্য উচ্ছৃঙ্খল হয়ে ওঠেন। তৌফিক সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকার শিন শিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
গত রাতে ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন এ বিষয়ে লিখেছেন, ‘শ্রমিক আন্দোলন যে আর শ্রমিকদের মধ্যে নেই, তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনা সেটির প্রমাণ করে। দেশকে অশান্ত করতে আওয়ামী দুর্বৃত্তরা চক্রান্ত শুরু করেছে। শ্রমিকবেশে হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে শ্রমিক বিক্ষুব্ধতা সৃষ্টির মাধ্যমে ও দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আরেকটি ১/১১ ঘটানোই তাদের উদ্দেশ্য। জামায়াত-এনসিপিকে বলব, আওয়ামী দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করতে রাজপথে নামুন।’