প্রফেসর আবদুল করিমের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২১, ১০:২৬ পিএম

(গতকালের পর থেকে)

কলকাতার পত্রিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘মক্কা ইউনিভার্সিটি’ বলে বিদ্রƒপ ও হেয় করার প্রচেষ্টার কথা রমেশচন্দ্র মজুমদার, জ্ঞান ঘোষ, সেনগুপ্ত প্রমুখ উল্লেখ করেছেন। আবদুল করিম লিখেছেন, যে সময় কলকাতা থেকে এই হেয় করার প্রচারণা চালানো হয়েছে বাস্তবে তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলমান ছাত্র ও শিক্ষক ১০ শতাংশের বেশি ছিল না, আর তাদের অধিকাংশই ছিলেন আরবি, ফার্সি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে। অন্যসব বিভাগে মুসলমান শিক্ষকের সংখ্যা এক-দুজনের বেশি ছিল না। দুটি মুসলিম হলে যে কজন মুসলমান কর্মচারী ছিলেন তাদের একাংশ ভারতের বিহার থেকে আসা শরণার্থী। কাজেই মক্কা বিশ্ববিদ্যালয় বলে বিদ্রƒপ করার যৌক্তিকতা তখন ছিল না। এই বিদ্রƒপ ও বিরোধিতার ইতিহাস বঙ্গভঙ্গ বিরোধিতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

১৯৪৬-এর কলকাতা দাঙ্গার ঢেউ সারা বাংলাতেই ছড়িয়ে পড়ে। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্ররা আশঙ্কা করে ‘হিন্দুরা হল আক্রমণ করতে পারে এবং স্বাধীনতার আগে মুসলিম সমাজের শিক্ষিত অংশকে ধ্বংস করার চেষ্টা করতে পারে’। পরের অংশটুকুও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা পূর্ব বাংলার সামাজিক রাজনৈতিক ইতিহাসে উপেক্ষিত হওয়ার নয়। প্রফেসর করিম লিখেছেন : ‘সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যে প্রয়োজনে আমরা পালা করে সারা রাত পাহারা দেব এবং আত্মরক্ষার প্রচেষ্টা নেব। হলের সামনে কিছু পাকা ইট, ইটের টুকরো ইত্যাদি জমা ছিল, সারা রাত ধরে আমরা সেগুলো দোতলায় ওঠালাম। আমাদের পূর্বদিকেই ছিল জগন্নাথ হল, হিন্দু ছাত্রদের আবাসস্থল। সেখান থেকে সোজা জয়নাগ রোড পর্যন্ত এবং পূর্বদিকে ঢাকা হল পর্যন্ত হিন্দুদের প্রাধান্য ছিল। যাই হোক আমাদের হল আক্রান্ত না, শহরের দাঙ্গাও সপ্তাহখানেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেল।’

পরীক্ষার আগে থেকেই কামাই করে সংসার চালানোর চাপ তার ওপর তো ছিল। কুমিল্লায় পশুপালন বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির একটি চাকরির জন্য আবেদন করেন এবং ইন্টারভিউ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা কলেজের অধ্যাপক আহসাব উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন। ‘ইন্টারভিউর জন্য আমি একটি স্যুট তৈরি করেছিলাম, এর আগে আমি শুধু পায়জামা-শার্ট পরেই চলতাম, প্যান্ট-কোট পরে ইন্টারভিউতে যাওয়ার সময় স্যার বললেন, টাই পরলে না কেন? আমার টাই ছিল না, পরতেও জানতাম না। তিনি নিজের একটা টাই নিয়ে নিজেই আমাকে পরিয়ে দিলেন।’ এই ইন্টারভিউর ফলাফল জানার আগেই তিনি ৭৫ টাকা বেতন, সাড়ে ২২ টাকা মহার্ঘ্যভাতা মোট সাড়ে ৯৭ টাকা বেতনে মুড়াপাড়া ভিক্টোরিয়া হাইস্কুলে শিক্ষকতায় যোগ দিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে অনার্স থার্ড ইয়ার শিক্ষার্থীদের ইউরোপের ইতিহাস পড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হলো ওই ক্লাসের কজন মেধাবী ছাত্রের নাম শিক্ষকদের মুখে মুখে ছিল। তাদের মধ্যে শীর্ষে ছিলেন মোহর আলী, পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিস্ট্রি অব দ্য মুসলিমস ইন বাংলাদেশ গ্রন্থের লেখক, একাত্তরে বিতর্কিত ভূমিকার জন্য দেশ ছাড়েন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনের একজন পরবর্তী সময়ের পররাষ্ট্র সচিব নজরুল ইসলাম এবং অন্যজন ন্যাশনাল আর্কাইভসের প্রধান ড. খোন্দকার মাহবুবুল করীম। এসব জাঁদরেল ছাত্রের কারণে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাসে তাকে যেতে হতো, প্রথম দিকে বিব্রত হতেন, একসময় ধাতস্থ হয়ে ওঠেন।

কনস্টিটিউশনাল হিস্ট্রি অব ইংল্যান্ড পড়াতেন ড. পৃথ্বীশ চন্দ্র চক্রবর্তী, তিনি ভারতে চলে যাওয়ায় শিক্ষক সংকট দেখা দেয়। ব্রিটিশ কাউন্সিলের রিপ্রেজেন্টেটিভের স্ত্রী মিসেস গ্রিনহিল ক্যামব্রিজের ছাত্রী হওয়ায় তাকে পার্টটাইম শিক্ষক করে বিষয়টি পড়াতে দেওয়া হয়। কিন্তু এ বিষয়ের পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন না পড়ায় ছাত্ররা বিক্ষোভ করেন, পরীক্ষা না দিয়ে যারা হল ত্যাগ করেন তাদের একজন জিল্লুর রহমান (পরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি) এবং একজন আবদুল মমিন, সরকারের মন্ত্রী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার প্রথম পিএইচডি, থিসিসের শিরোনাম সোশ্যাল হিস্ট্রি অব দ্য মুসলিমস ইন বেঙ্গল ডাউন টু ১৫৩৮; দ্বিতীয় পিএইচডি লন্ডনের স্কুল অব আফ্রিকান অ্যান্ড ওরিয়েন্টাল স্টাডিস থেকে।

অধ্যাপক করিম লিখেছেন, হিন্দু প-িতদের বাধায় ডক্টর শহীদুল্লাহকে সংস্কৃত ভাষায় নেওয়া হয়নি। কিন্তু অধ্যাপক আহমদ হাসান দানী বেনারসের হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমন করে সংস্কৃত পড়লেন তা তিনি জিজ্ঞেস করলে দানী সাহেব জানান, তিনি পুরো নাম কখনো লিখতেন না, লিখতেন এ এইচ দানী; হিন্দুদের মধ্যেও দানী পদবি ছিল, হিন্দু প-িতরা জানতেন তিনি আনন্দ হর্ষ দানী। তিনি ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে পাস করার আগে কেউ জানেনি যে তিনি মুসলমান।

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঘোষিত এক বিরোধ ছিল কলকাতার বুদ্ধিজীবী পূর্ব বাংলার বিশ্ববিদ্যালয়টিকে মক্কা ও ফুক্কা ইউনিভার্সিটি নামে বিদ্রƒপ করত ‘অন্যদিকে ঢাকার লোকরা মোটামুটি পূর্ব বাংলার মুসলমানরা পেছনে থাকতে রাজি ছিল না। তার ক্যালকাটার ‘সি’-এর স্থলে ‘বি’ অক্ষর দিয়ে এমন একটি শব্দ বানাত, যা লেখা যায় কিন্তু মুখে উচ্চারণ করা ভদ্রতাবিরোধী। 

২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র উভয়ের উৎকর্ষ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উপায় ছিল টিউটোরিয়াল সিস্টেম। টিউটোরিয়াল শিক্ষক বিশেষ হিসেবে চিহ্নিত হতেন একালের টিউটোরিয়াল মূল কনসেপ্ট থেকে বিচ্যুত। ‘... কিন্তু এখন টিউটোরিয়াল সিস্টেম এমনভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেছে যে শিক্ষকরা ক্লাসে বলে দেন যে একটি নির্দিষ্টসংখ্যক টিউটোরিয়াল লিখে সেশনের মধ্যে শিক্ষকের কাছে জমা দিলেই হবে, ক্লাসে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই। বর্তমানে ছাত্র-শিক্ষক সবাই কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় টিউটোরিয়াল জমা না দিয়েও নম্বর পাওয়ায় কোনো সমস্যা হয় না। শিক্ষার মান নিচু হওয়ার এটাও একটি কারণ, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শিক্ষকদের অশিক্ষকসুলভ ও ব্যবসায়ী মনোভাব এবং ছাত্রদের অছাত্রসুলভ রাজনৈতিক কর্মকা-।

৩. ১৯৫১ সালে আবদুল করিম যখন লেকচারার হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন, তখন বিভাগীয় অফিসে কোনো কেরানি ছিল না, কোনো টাইপরাইটার ছিল না, তবে একজন পিয়ন ছিল। ‘চিঠিপত্র হাতে লিখে পাঠাতে হতো। বিভাগীয় প্রধান আদেশ দিলে উপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে কেউ হাতে লিখে দিতেন, আমি যোগ দেওয়ার পর জুনিয়র হওয়াই আমি প্রায় চিঠিপত্র লিখতাম। আমাদের সময় বিভাগীয় প্রধান ছিলেন বিভাগের নীতিনির্ধারক, তার কথা আমরা বিনা ওজরে মেনে নিতাম। কারণ তিনি আমাদের শিক্ষক ছিলেন, পা-িত্যেও তিনি বিভাগের সবার সেরা ছিলেন।’

৪. ‘বাংলা ভাগ হওয়ার পর বাংলার মুসলিম লীগ নেতৃত্বে পারস্পরিক ঈর্ষা ও মতানৈক্যের কারণে পূর্ব বাংলায় (অর্থাৎ পাকিস্তানের বাংলা অংশে) লীগ পার্লামেন্টারি পার্টির খাজা নাজিমুুদ্দীন নেতা নির্বাচিত হয়ে পূর্ব বাংলার চিফ মিনিস্টার নিযুক্ত হন এবং আবদুল করিমের মতে দেড় বছর আগে হারানো পদ আবার পেয়ে হাতে চাঁদ পাওয়ার আনন্দে পশ্চিম বাংলার সঙ্গে সম্পদ ভাগাভাগির সব প্রশ্ন এড়িয়ে তাড়াহুড়ো করে ঢাকায় চলে আসেন। র‌্যাডক্লিফ কমিশনের রোয়েদাদ নিয়ে কোনো প্রশ্নও তুললেন না। আর সোহরাওয়ার্দী ‘মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারিয়ে মনের দুঃখে কলকাতায় রয়ে গেলেন এবং শরৎবসুর সঙ্গে গ্রেটার বেঙ্গল বা অখ- বাংলা গঠনের পরিকল্পনা করলেন। তাদের পরিকল্পনা লীগ ও কংগ্রেস উভয় দলই প্রত্যাখ্যান করল।’

৫. আইন বিভাগের শিক্ষক নাট্যকার এবং ডিগ্রি না নিয়ে দেশে ফিরে আসা, ব্রিটিশ কেতায় টিচার্স কমনরুমে লাঞ্চ করা নাট্যকার নুরুল মোমেন সম্পর্কে তার পর্যবেক্ষণ বেশ কৌতূহলোদ্দীপক; ‘নুরুল মোমেন সাহেব সদ্য বিলেতফেরত, তিনিও আবহাওয়া দিয়ে কথা শুরু করেন আজ কি ভ্যাপসা গরম’ এভাবে তারপর তিনি শুধু নিজের কথাই বলে গেলেন, বিলেতের জীবনটা কীভাবে কেটেছে, কোন লর্ড বা ব্রিটিশ মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়েছে, বার্ট্রান্ড রাসেল বা বার্নাড শ’-র সঙ্গে দেখা হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে এসব কথা বলার প্রধান কারণ একটু পরে জানিয়ে দিয়ে বললেন, তিনি শিগগিরই নোবেল প্রাইজ পেতে যাচ্ছেন, নোবেল প্রাইজের ঘোষণা এই হলো বলে এবং তিনি প্রত্যেক দিনই চিঠির অপেক্ষায় আছেন। আমি দেখি ভদ্রলোক তো একটা বদ্ধ পাগল, এমনিতেই আমি কম কথা বলার লোক, তার কথায় আমি থ বনে গেলাম এবং শুধু হ্যাঁ-না করে তার কথা শুনেই গেলাম এবং শেষ পর্যন্ত বলতে বাধ্য হলাম যে আমি আপনাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য সাগ্রহে অপেক্ষা করব। এক দিন বাংলার অধ্যাপক আবদুল হাই টিচার্স কমনরুমে বললেন, নোবেল পুরস্কার পাওয়া উপলক্ষে নুরুল মোমেন সাহেবের বাসায় দাওয়াত আছে। অধ্যাপক মজহারুল হক মৃদু সরে তাকে তিরস্কার করলেন, আপনারা কেন লোকটির সরলতার সুযোগ নিচ্ছেন?

কয়েক বছর পরও নোবেল পুরস্কারের চিঠি না আসায় সম্ভবত ভূতটি নেমে যেতে বাধ্য হয়।

৬. ইতিহাস বিভাগে আবদুল করিমের কয়েক বছরের সিনিয়র একজন ডক্টর মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এক দিন তাদের উল্টোদিকে বসা দুজন শিক্ষক আবদুল রাজ্জাক ও নুরুল মোমেনের দিকে লক্ষ করে বললেন, ‘এই দুজন লোককে গুলি করে মারা দরকার।’ কারণ তারা দেশের বড় অঙ্কের ফরেন এক্সচেঞ্জ নষ্ট করে বিলেতে কবছর কাটিয়ে জিএইচডি না করে চলে এসেছেন।

বাজারে ছড়িয়েছে রাজ্জাক সাহেবের সুপারভাইজার অধ্যাপক হ্যারল্ড লাস্কির মৃত্যু হলে অন্য কোনো শিক্ষক তার সঙ্গে সহযোগিতা করতে রাজি না হওয়ায় থিসিস জমা দিতে পারেননি। যারা ব্রিটেনের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত তারা জানেন এ কথা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু সত্যটা তিনি নিজেই অধ্যাপক করিমের কাছে অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি লিখতে পারেন না । বসে বসে পড়তে পারেন, লেখা তার ধাতে সয় না। দীর্ঘদিন বিলেতে থেকেও ডিগ্রি ছাড়া ফিরে আসার কারণও তাই। থিসিস লেখার মতো ধৈর্য তার ছিল না, তিনি জ্ঞানী ছিলেন, জ্ঞান কাজে লাগানোর ক্ষমতা তার ছিল না জ্ঞান আহরণ করেছেন, জ্ঞান বিতরণ করেছেন সঙ্গী-সাথীদের কাছে, কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাননি। পায়জামা-পাঞ্জাবি পরা অত্যন্ত সাদাসিধে আজীবন অবিবাহিত আবদুর রাজ্জাক মহাজ্ঞানীর পরিচিতি লাভ করেন, তার ভক্তমহলে ‘স্যার’ বলতে শুধু তাকেই বোঝাত। কিন্তু ক্লাসে গিয়ে তিনি চুপচাপ বসে থাকতেন, বক্তৃতা করতেন না, তবে কেউ কোনো প্রশ্ন করলে ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিতেন।

১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চালু হতে যাচ্ছে। ঢাকায় থাকলে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি কবে হবে নিশ্চয়তা নেই। অবিশ্বস্ত তার নিজের শিক্ষক সজ্জন এবং পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ মফিজউল্লাহ কবীরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে, যা তিনি চাননি। শেষ পর্যন্ত প্রায় সবার পরামর্শ উপেক্ষা করে সে বছর নভেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে এলেন। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের প্রধান আজিজুর রহমান মল্লিক-এ আর মল্লিক তাকে পছন্দ করেন।

চট্টগ্রামে তিনি ইতিহাসের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক এবং ভাইস চ্যান্সেলরও হলেন। অধ্যাপক আবদুল করিম (জন্ম ১৯২৮-মৃত্যু ২০০৭) ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই স্মরণীয় একজন ব্যক্তিত্ব।

লেখক সরকারের সাবেক কর্মকর্তা ও কলামনিস্ট

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত