বিসিবির কোর্সের মান নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট : ২০ জুন ২০২৬, ০৮:১০ এএম

আমিনুল ইসলাম বুলবুল এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নেই। অস্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগে সরে যেতে হয়েছে তাকে। তবু সভাপতি থাকাকালে নিজের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে যেগুলো উন্নয়নমূলক কাজের উদাহরণ এখনো টানেন তিনি, সেখানে ওপরের দিকেই রাখেন স্থানীয় কোচদের লেভেল-থ্রি কোচিং কোর্সের সুযোগ করে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে লেভেল-থ্রি কোচিং কোর্সের সুযোগ পান স্থানীয়রা। এই কোর্সে আব্দুর রাজ্জাক, হান্নান সরকার, শাহরিয়ার নাফীসসহ ৩০ জন অংশ নিয়ে উত্তীর্ণও হন। এর স্বীকৃতি হিসেবে গত এপ্রিল মাসে সবার হাতে বেশ ঘটা করে সনদপত্র তুলে দেন তখনকার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তবে এই কোর্সের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিসিবিও এই ‘অ্যাডভান্স কোচিং’-এর মান যাচাই করতে গোটা প্রক্রিয়াটি আবার পর্যালোচনা করবে।

অ্যাডহক কমিটিতেও ছিলেন এবং বর্তমান পরিচালনা পর্ষদেও আছেন এমন একজন পরিচালক নিজের নাম প্রকাশ করতে না চেয়ে বলেন, ‘আগে যারা লেভেল-থ্রি কোর্স সম্পন্ন করেছেন, তাদের বিষয়টি আমরা পুনরায় পর্যালোচনা করব। কারণ লেভেল-থ্রি সম্পর্কে আমরা যে মতামত পেয়েছি, তাতে দেখা গেছে অনেক মানদণ্ড যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই এটি পরিচালনা করা হয়েছে।’ তাহলে কি লেভেল-থ্রি কোচিংয়ে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া কোচদের সনদপত্র বাতিল হিসেবে গণ্য হবে? এই পরিচালক অবশ্য এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে চাইলেন না, ‘এমনটি হতেও পারে। তবে আমরা এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনি। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নির্ধারণ করব।’

ওই লেভেল-থ্রি কোর্সের ফলাফলে প্রথম হন আব্দুর রাজ্জাক, দ্বিতীয় হান্নান সরকার। যৌথভাবে তৃতীয় হন শাহরিয়ার নাফীস ও ডলার মাহমুদ। এ ছাড়া তালহা জুবায়ের, রাজিন সালেহ, রবিউল ইসলাম, তুষার ইমরান, আলমগীর কবির, জাভেদ ওমর, নাজমুল হোসেন, মন্টু দত্তের মতো কোচ ও সাবেক ক্রিকেটাররা অংশ নেন।

বিসিবির একটি সূত্রে জানা গেছে, নেপালের সাবেক ক্রিকেটার বিনোদ কুমার দাসকে ক্রিকেট বোর্ড একটি কর্মসূচির জন্য খণ্ডকালীন চুক্তিতে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি আইসিসির স্বীকৃত প্রশিক্ষকও। জেলা-বিভাগের কোচ নিয়োগ শেষে আগামী মাসে এসব কোচকে প্রশিক্ষণ দেবেন বিনোদ। তাকে দিয়েই লেভেল-থ্রি কোচিং কোর্সটি পর্যালোচনা করবে বিসিবি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত