বার্ট্রান্ড রাসেল The Conquest of Happiness গ্রন্থে বলেছেন, প্রত্যেক মানুষের দুটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে; একটা সে জানে, কিন্তু সব সময় মানে না। আরেকটি সে জানে না, কিন্তু মানে, অর্থাৎ না মেনে পারে না। প্রথমোক্তটা হলো ধর্ম আর দ্বিতীয়টাও ধর্ম, তবে সেটা হলো অর্থনীতির ধর্ম। এই অর্থনীতিই আমাদের আসল চরিত্র নির্ধারণ করে; একজন মধ্যবিত্ত হিন্দুর জীবনের সঙ্গে আরেকজন মধ্যবিত্ত মুসলমানের জীবনের মাঝে বস্তুত কোনো পার্থক্য নেই, শুধু টিকি ও টুপি ছাড়া। অর্থনীতিই তাদের এই সমান্তরাল জীবনধারার নির্ণায়ক ও শিক্ষক। আর পীড়নে পড়লে খুব কঠিন বিষয়েও এই শিক্ষা খুব ভালো হয়। আমরা যারা আমজনতা তাদের অর্থনীতির শিক্ষা এই অমোঘ নিয়মে, কেতাব বা শ্রেণিকক্ষে নয়। এখন দেশে একজন নিম্নবিত্ত মানুষের অবস্থা কি সেটা জানার জন্য বোধকরি রাশিয়ান নাট্যকার আন্তন চেখভের মতো ট্রেনের তৃতীয় শ্রেণিতে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা নেই; সুনীলের একটি কবিতার প্রথম পঙ্্ক্তিটিই যথেষ্ট; ‘আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা, নিখিলেশ এই কী মানুষজন্ম।’ প্রায় দুবছর ধরে মুদ্রাস্ফীতি মানুষকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সেপ্টেম্বরের খোদ সরকারি হিসাবেই ২৩ মাসে মুদ্রাস্ফীতি ৯.৬৩ শতাংশ, আগের মাসে ওটা ছিল ৯.৯২ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি এখনো সাড়ে বারো শতাংশের মতো। তবে বাস্তবে বাজারে মূল্যের উত্তাপ আরও অনেক বেশি। আইএমএফ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। আর কেউ না পারুক, এই প্রতিষ্ঠানটি আইএমএফের ব্যবস্থাপত্র মোতাবেক ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তি বছর এগিয়ে এনেছে, অন্য দুটি নির্দেশনাও সুচারুরূপে প্রতিপালন করেছে। তাই আইএমএফের এই সন্তোষ। কিন্তু এতে আমাদের যে কী কল্যাণ হবে, তা বুঝতে পারছি না।
এক সময় দেশে বিভাগ সৃষ্টির জন্য আন্দোলন তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল। এটা দেখে এক আন্দোলনকারীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এতে আপনাদের কী সুবিধা হবে? কিছুক্ষণ মাথা চুলকিয়ে তিনি জবাব দিয়েছিলেন, ‘কেন, বিটিভিতে তো বিভাগভিত্তিক আবহাওয়ার খবর দেখায়, তখন আমাদেরটাও দেখাবে।’ মনে হচ্ছে ওই পরিতৃপ্তির সঙ্গে আইএমএফের সন্তোষের একটা মিল আছে। যাই হোক, শাসকগোষ্ঠীর দু-একজন উপদেষ্টা অবশ্য বলেছেন এ অবস্থা নির্বাচনের পর ঠিক হয়ে যাবে আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, সহসা এটা ঠিক হওয়ার নয়; এখন এর কারণ আর বহিঃস্থ নয়, অন্তঃস্থ ও ব্যবস্থাপনাগত। এখন বহিঃস্থ কারণ না থাকায় এবং ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ঘটায় কিছুদিন আগের দেউলিয়া শ্রীলঙ্কাতেও মূল্যসূচক আগের মাসের ৪ শতাংশ থেকে সেপ্টেম্বরে ১.৩ শতাংশে নেমে এসেছে আর আমাদের দেশে ওটা ডাবল ডিজিটের কাছাকাছি। অর্থনীতির ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। সংকটকালে রাজনৈতিক অস্থিরতা যে সমাজে কী রকম বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, তার বড় দৃষ্টান্ত ১৯৪৩ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষ। দ্বিতীয় মেয়াদে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, বাংলায় কোয়ালিশন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে তিন দিক থেকে চরম বিরোধিতার সম্মুখীন হন; মুসলিম লীগ, ছোট লাট স্যার জন হারবার্ট ও কংগ্রেসের একাংশ। এই ত্রিমুখী বিরোধিতার মুখে গদি রক্ষা করতে গিয়ে তিনি আসন্ন খাদ্য ঘাটতির বিষয়টাতে আদৌ কোনো মনোযোগ দিতে পারেননি; ১৬ মাসের মধ্যে পদত্যাগে বাধ্য হন। মাসখানেক পরে মুসলিম লীগ ক্ষমতা গ্রহণ করলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো ব্যক্তিত্ব দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু ততদিনে অনেক বিলম্ব হয়ে গিয়েছিল। ফলে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। তাই যখন কিছু রাজনীতিবিদ নির্বাচনের পর সবকিছু ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা বলে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলেন, তখন আমাদের শঙ্কা হয়।
সম্প্রতি দেশে প্রতি মাসে চলতি হিসাবে এক বিলিয়ন ডলার করে ঘাটতি হয়ে আসছিল। সেপ্টেম্বরে এসে তা হয়ে গেল দুই বিলিয়ন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট রিজার্ভ ইতিমধ্যে ১৭ বিলিয়নে নেমেছে। আমদানিকৃত বিদ্যুৎ, কয়লা ও এলএনজির বকেয়া বিল, ঋণের দায়, বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধযোগ্য আইপিপির পাওনা প্রভৃতি পরিশোধ করার পর রিজার্ভ আরও কমে যাওয়া শঙ্কা রয়েছে; অনেক বিশিষ্টজন বর্তমান অবস্থাকে খাদের কিনারার সঙ্গে তুলনা করছেন। এ সময় দেশের আদম সন্তানরা ক্রমবর্ধমান হারে বিদেশ পাড়ি দিচ্ছে ঠিকই। অথচ রেমিট্যান্স উল্টো রথে চেপে বসেছে; আগে প্রতি মাসে যেখানে আসত গড়পড়তা ২ বিলিয়ন ডলার, সেপ্টেম্বরে সেটা নেমে গেছে ১.৩৪ বিলিয়নে। হুন্ডিতে লেনদেন বাড়ার ফলেই যে অবস্থার এই অবনতি ঘটছে, সেটা সবাই স্বীকার করছেন। কিন্তু এর প্রতিকার ও প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। এর জন্য নেতৃবৃন্দের কোনো মাথাব্যথা আছে বলেও মনে হচ্ছে না; একদল মরিয়া ক্ষমতায় থাকতে, আর আরেক গোষ্ঠী একাট্টা ক্ষমতায় যেতে। মানুষের দুরবস্থা বা অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে তাদের কোনো আগ্রহ নেই। যেমন নেই এডিস মশার মরণ কামড় থেকে রক্ষার কোনো ব্যবস্থাপত্র। অর্থমন্ত্রী আইএমএফের কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন যে, খেলাপি ঋণের (এনপিএল) পরিমাণ কমিয়ে আনবেন। কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে এখন ১ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এটা আসলে হিমশৈলের ডগা মাত্র; আইএমএফের মানদণ্ড অনুযায়ী মোট দুর্দশাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। আর অবলোপন করা টাকার পরিমাণ ৬৫ হাজার কোটি (বণিক বার্তা, অক্টোবর ৮, ২০২৩)। কাকের মাংস তো আর কাকে খায় না; কাজেই ব্যবসায়ী মন্ত্রী এই টাকা আদায়ের জন্য তার নিজ সম্প্রদায়ের খেলাপি মানুষদের কীভাবে ধরবেন? তিনি বড়জোর চাষাভূষাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য জেলে নিতে পারেন এবং সে কাজ তিনি ইতিমধ্যে দৃশ্যমানও করে ফেলেছেন।
দেশে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোর প্রবৃদ্ধি ছিল সাধারণ ব্যাংকগুলোর চেয়ে দ্বিগুণ। ২০২২ সালে এসব ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তারল্য ছিল ২১ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু চলতি বছর সেই তারল্য নেমে গেছে ২ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকায়। বিগত অর্থবছরে সরকার ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এর মধ্যে ৭৮ হাজার ১৪০ কোটি টাকা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে; অর্থাৎ এ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রণ করে সরকারকে দিয়েছে। চলতি বছরেও ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে; তবে ব্যাংকগুলোর যে অবস্থা তাতে এই ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা এ খাতের নেই। তাহলে কি ব্যয় নির্বাহের জন্য আবার টাকা মুদ্রণ করতে হবে? ঘাটতি বাজেটের বাড়তি খরচ মেটাতে যে টাকা মুদ্রণ করার প্রয়োজন হচ্ছে, তা এখন মুদ্রাস্ফীতির আগুনে ঘৃত সরবরাহ করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের এত দিনের অবস্থান সমর্থন করতে নতুন এক ব্যাখ্যা নিয়ে হাজির হয়েছে। তাদের দাবি, রিজার্ভ মানি বা মুদ্রা সরবরাহজনিত কারণ চলমান মূল্যস্ফীতিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেনি; জ¦ালানি পণ্যের মূল্য, পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে ভাঙন, টাকার অবমূল্যায়ন, অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য না কমানোর সংস্কৃতি ও ত্রুটিপূর্ণ বাজার ব্যবস্থা প্রভৃতি সম্মিলিতভাবে মুদ্রাস্ফীতিতে ভূমিকা রেখেছে। তাদের যুক্তি অকাট্য; যে সময় তাদের কাছ থেকে সরকার ঋণ গ্রহণ করেছিল, সে সময় তারা ডলার বিক্রি করে ব্যাংকগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা তুলেও নিয়েছিলেন। তাদের ওই অবস্থান যদি ঠিক থাকে, তবে এখন এক ধাক্কায় নীতি সুদহার দশমিক ৭৫ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়ানোর প্রয়োজনটা কি ছিল? বাংলাদেশ ব্যাংক তো এখনো ডলার বিক্রি করে টাকা তুলে নেওয়া অব্যাহত রেখেছে। মনে হচ্ছে গ্লোবাল ফাইন্যান্স ম্যাগাজিনের রাংকিংয়ে ‘ডি’ গ্রেড পাওয়ায় গভর্নর মহোদয়ের নতুন করে বোধদয় হয়েছে!
আইএমএফ পর্যায়ক্রমে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশের ওপরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা দেয়। কিন্তু বাস্তবে এটা ভূতের মতো উল্টো দিকে হাঁটছে; এটা ২০১৯-২০ সালে ছিল ৭ শতাংশ, ২০২০-২১ সালে ৭.৬৮ শতাংশ, ২০২১-২২ সালে ৭.৫৪ শতাংশ এবং সর্বশেষ ২০২২-২৩ সালে ৬.৪১ শতাংশ। ফলে ঘাটতি বাজেট অর্থায়নে দেশি-বিদেশি ঋণের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যাচ্ছে। তার ওপর দেশের ঋণ-মানের অবনমন ঘটায় এখন স্বল্প সুদে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণও পাওয়া যাচ্ছে না। আবার এতে ঋণ-জিডিপি অনুপাত ক্রমে বেড়ে যাচ্ছে। পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ফ্লোর প্রাইসের উদ্ভট এক আদেশ জারি করে বাজারকে বছরাধিককাল ধরে কোয়ারেন্টাইন করে রেখেছে। সেখানে অর্ধেকেরও বেশি স্ক্রিপের কোনো লেনদেন হয় না। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষার জন্য এ আদেশ জারির কথা বলা হলেও তা বাস্তবে পুঁজিবাজারকে কালোবাজারে পরিণত করেছে; সেখানে ব্লক মার্কেটে বড় বড় কুশীলবদের জন্য সস্তায় কেনাকাটার সব এন্তেজাম আছে, কিন্তু ক্ষুদের জন্য কিছু নেই; তাই তারা এই অচলায়তন থেকে বের হতে এখন লাখ লাখ টাকার বাট্টা গুনতে বাধ্য হচ্ছেন। এটা কি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা, নাকি গলাকাটা?
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রেও কোনো সুসংবাদ নেই। দেশের পাঁচটি শীর্ষ রপ্তানি খাতের মধ্যে শুধু তৈরি পোশাক খাতে যৎসামান্য প্রবৃদ্ধি ছাড়া বাকি চারটিতে প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক। আগস্ট মাসে রপ্তানি হয়েছিল ৪৭৮ কোটি ডলার আর সেপ্টেম্বরে সেটা নেমে গেছে ৪৩১ কোটি ডলারে (প্রথম আলো, ৯ অক্টোবর, ২০২৩)। রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে, কিন্তু প্রধানত আমদানিনির্ভর এ খাতে মূল্য সংযোজনের হার ৬০ শতাংশের বেশি না। আবার এই রপ্তানি আয়ের একটা অংশ দেশেই আসে না; বিদেশেই থেকে যায়, অর্থ পাচারের এক পরিচিত কৌশল। গত বছর দেউলিয়া হয়ে পরার প্রাক্কালে মুদ্রাস্ফীতি বাগে আনার জন্য শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকও কিন্তু আমাদের মতো ব্যাপকভাবে ডলার বিক্রি করে যাচ্ছিল। তবে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে এ দেশের একটা বড় তফাত এই যে, ওই সময় আর্থিক সংকটের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদনেও বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। আর বাংলাদেশে এ সময় ক্রমবর্ধমান হারে খাদ্য উৎপাদন বেড়ে চলেছে। খাদ্যের সংকট যে কোনো দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট। এটি জ্বালাতন না করলে অন্য সংকট মোকাবিলা করা সহজ হয়। এই মুহূর্তের বড় সমস্যা মুদ্রাস্ফীতি ও ডলার সংকট। এ দুটো সমস্যা মোকাবিলায় সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য দেশের অর্থনীতিবিদের সহযোগিতা নেওয়া জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক বিলম্বে হলেও সম্বিত ফিরে পেয়েছে; মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যৌক্তিক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে। এখন সরকারের উচিত সামঞ্জস্যপূর্ণ রাজস্ব নীতি গ্রহণ করে এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তাতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে গেলেও সমাজে স্বস্তি আসবে। ডলার সংকট নিরসনে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার যেমন লাগবে, তেমনি দরকার হবে উদ্ভাবনী কৌশল, কার্যকর সুশাসন এবং প্রায়োগিক দক্ষতা। আর এটা করতে হবে কালবিলম্ব না করেই।
লেখক : খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক
