অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ, সাড়া নেই বিশ্বভারতীর

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০২৩, ০৪:৫৫ পিএম

আবারও বিতর্কে নাম লেখাল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। আর এই অভিযোগ তুলে এবার আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হলেন চার ছাত্রী। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দপ্তরেও চিঠি পাঠিয়েছেন তারা।

ওই চার ছাত্রীর অভিযোগ, ২০২১ সালে প্রথমবার অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন তারা। শুধু তা-ই নয়, দিনের পর দিন কর্তৃপক্ষের দরজায় ঘুরেছেন। সম্প্রতি অনশনও করেছেন তারা। তারপরেও অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে তাদের।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পাশাপাশি ই-মেলে ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রণালয়কেও। এছাড়াও চিঠি দেওয়া হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, জাতীয় ওবিসি কমিশন, ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশনকেও।

জানা গেছে, অভিযুক্ত বিশ্বভারতীর নৃতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক। তার বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন ওই চার ছাত্রী। জাতিগত বিদ্বেষের শিকার হয়েছিলেন বলেও দাবি তাদের। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কাছে প্রথমবার ওই অভিযোগ জানানো হয় ২০২১ সালের মার্চ মাসে। গত জুলাই মাসে বিশ্বভারতীতে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছিলেন ভুক্তভোগীরা। তাতেও কোন লাভ হয়নি।

চিঠিতে ভুক্তভোগী লিখেছেন, ‘অনশন-বিক্ষোভের খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই। আমরা আতঙ্কে আছি।’ অভিযোগকারী ছাত্রীদের একজন জানিয়েছেন, আর কোনও উপায় না থাকায় এটা করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কী এমন তদন্ত করছে বিশ্বভারতী!

সূত্র: টিভি৯বাংলা

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত