কোমর ও হাঁটুব্যথায়

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৩, ০১:১৭ এএম

লেজার সার্জারি ব্যথার মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং ভোগান্তিকর সমস্যা হচ্ছে কোমর ও হাঁটু ব্যথা। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ জীবনে দেহের কোনো না কোনো অংশে ব্যথায় ভুগে থাকেন এবং দিন যত যায়, ভোগান্তি ও কষ্টের মাত্রা তত বাড়তে থাকে।

কোমর ব্যথা কেন হয় : কোমর ব্যথার ৯০ শতাংশ রোগী চিকিৎসকের কাছে যান শারীরিক বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা নিয়ে। যেমনÑ মেরুদ-ে মাংসপেশিতে আঘাত, ডিস্ক প্রোলাপ্স, মেরুদ-ে নির্দিষ্ট গঠনের পরিবর্তন। অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে বয়সজনিত মেরুদ-ের হাড় ক্ষয় বা বৃদ্ধি, স্পনডাইলোলিসথেসিস, স্পন্ডাইলোসিস, অস্টিওপোরোসিস, এনকাইলজিং, মেরুদ-ের স্নায়বিক সমস্যা, টিউমার, ক্যানসার, বোন টিবি, পেটের নানা স্থানের রোগ বা ইনফেকশন, স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা। মেরুদ-ের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুঁড়ি, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি কারণেও কোমর-হাঁটু ব্যথা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও গড় আয়ু বৃদ্ধি, করপোরেট পেশা, নগরায়ণ, শরীরচর্চার অভাব, বেশি পরিশ্রম, শ্রমিক-পেশাজীবী, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার, শারীরিক দুর্ঘটনা, দীর্ঘক্ষণ একই পজিশনে বসে থাকা, কাজ করার সময় সঠিক দেহাবস্থান মেনে না করা ইত্যাদি কারণে কোমর ব্যথা হতে পারে।

কোমর ব্যথার কারণ : স্পেসিফিক ডায়াগনোসিস ছাড়া সঠিক চিকিৎসা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে মাস্কুলোস্কেলেটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে স্পেসিফিক রোগ নির্ণয়ের জন্য। এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই এবং স্বল্প খরচেই সম্ভব।

চিকিৎসা : দেশেই রয়েছে এর সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা। আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী, কোমর ব্যথার ৯০ শতাংশ রোগী সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে শতভাগ সুস্থ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন নেই। তবে ১০ শতাংশ রোগীর অপারেশন লাগতেও পারে, যদি লাগেই তবে প্রতিটি রোগীরই উচিত অপারেশনের আগে একজন কোয়ালিফাইট লেজার সার্জারি চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত