বেশিরভাগ মানুষের হতাশার মূল কারণ বায়োকেমিক্যাল নয়। হতাশা আবার জীবনভর কারাদন্ডও নয়। মূলত হতাশা বাড়ে যে যে কারণে তা হলো
একাকিত্ব : একাকিত্ব হতাশা বাড়ায়। বারবার পরীক্ষিত বিষয় সামাজিকতা হতাশা মোচন করে।
দুঃখ : ছিন্ন সম্পর্কের দুঃখ, চাকরি হারানোর দুঃখ, কাউকে পুরোপুরি হারানোর দুঃখ। বেশিদিন স্থায়ী হলে নিদ্রাহীনতা একাকিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে যায়।
নিদ্রাহীনতা : ঘুম না হওয়ায় হতাশা বাড়ে। ঘুমহীনে জড়তা ও অনীহা আসে।
অর্থহীনতা : কখনো-বা আমরা অপরের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে জীবনে অর্থ খুঁজি। কিন্তু এমন যদি হয়Ñ সবই অর্থহীন, তবে হতাশায় নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কাটানোর উপায়
অন্তরাত্মার কথা : পরীক্ষায় দেখা যায়, নিজের প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শন গুরুত্বপূর্ণ হতাশার
চিকিৎসা পদ্ধতি।
ব্যায়ামের অভাব : শারীরিক পরিশ্রম হতাশার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দরকার নেই জিমে যাওয়ার। হাঁটুন প্রাকৃতিক পরিবেশে ৩০ মিনিট বা যোগাসন করুন। হতাশা কেটে যাবে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সংস্পর্শহীনতা : হতাশাগ্রস্ত রোগীর ক্ষেত্রে ইকোথেরাপি বা ‘গ্রিন থেরাপি’ চিকিৎসা-পদ্ধতি বেশি কার্যকর। প্রতিদিন কিছু সময় বাইরে কাটিয়ে আসুন। মনের হতাশা কেটে যাবে।
খাদ্যতালিকা : ভিটামিন ‘বি’ ও ভিটামিন ‘ডি’র কমতি হতাশা বাড়ায়। আবার ‘গ্লুটোন’ বাড়তি হতাশা বাড়ায়।
স্ট্রেস : চিরন্তন স্ট্রেস হতাশা তৈরি করে। বিবেচনা করুন কীভাবে কাজগুলো সাজাবেন এবং স্ট্রেস মোকাবিলা করবেন।
শুধু কাজ আর কাজ নয়।
সময় : প্রতিদিন আপনার টাইট শিডিউল। তবু কিছু সময় আপনার একান্ত নিজের জন্য রাখুন।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা : ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন ও কর্টিসোল হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় হতাশা আসতে পারে।
নিজের আবেগের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা: নিজের হাসি-কান্না মনের প্রতি অবহেলা আপনার হতাশা নিয়ে আসে। নিজেকে ভালোবাসুন। হতাশা কেটে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
