এট্রোপিক রাইনাইটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়রোগ, যাতে নাকের ঝিল্লি, ঝিল্লির নিচের অংশ বা তার আশপাশের হাড় ক্ষয় হয়ে যায়। এই রোগটি সাধারণত মহিলাদের বেশি হয়।
কারণ
বংশগতঅপুষ্টি এবং পুষ্টিহীনতানাক এবং সাইনাসের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহরক্তনালি প্রদাহহরমোনজনিতনাকের হাড়ের অসামঞ্জস্য ইমিউনোলজিক্যাল
উপসর্গ
নাক দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয়, যা রোগী নিজে বুঝতে পারে না, কিন্তু তার আশপাশের লোকজন দুর্গন্ধ পায়।নাক বন্ধ থাকে এবং এক ধরনের সবুজ, দুর্গন্ধযুক্ত রস নিঃসরণ করে।মাঝে মধ্যে নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে।
মাথাব্যথা, নাক ও গলা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।নাকের গহ্বর বেশ বড়নাকের আশপাশের মাংসগুলো শুকিয়ে ছোট বা ক্ষয় হয়ে যায়।
চিকিৎসা
প্রধানত ওষুধের মাধ্যমেই চিকিৎসা করা হয়, মাঝে মধ্যে অপারেশনেরও প্রয়োজন হতে পারে।
যদি তা ওষুধের মাধ্যমে না সারে। ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা হলো গ্লিসারিনের সঙ্গে শতকরা ২৫ ভাগ গ্লুকোজের মিশ্রণ প্রতিদিন চার ফোঁটা করে দুই নাকের ছিদ্রে দিনে ৩-৪ বার করে দীর্ঘমেয়াদে দেওয়া হয়। অ্যালকালাইন দ্রবণ দিয়ে নাকের গহ্বর নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে যখন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হয়। পরিপূরক হিসেবে ভিটামিন দেওয়া। এ ছাড়া অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয় ১. ইয়াংগস অপারেশন (ণড়ঁহম’ং ঙঢ়বৎধঃরড়হ) ২. আরও অন্যান্য সার্জারি আছে।
রোগের পরিণতি
এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যা পুরোপুরি সারে না, রোগী মানসিক হতাশায় ভোগে। এ জন্য রোগীকে এ রোগের বিস্তারিত বোঝাতে হবে। কিন্তু উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো গ্লিসারিনে শতকরা ২৫ ভাগ গ্লুকোজের সারা বছর ব্যবহার করা। এতে রোগটি নিয়ন্ত্রণে থাকে। একজন নাক, কান, গলা রোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে নিয়মিত চেকআপে থাকলে ভালো থাকবেন।