এনপিএসবি ও বিইএফটিএন কী?

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:২৫ পিএম

বর্তমানে অনলাইন ব্যাংকিং জীবনকে সহজ করে দিয়েছে। ব্যাংকে না গিয়েই মুহূর্তের মধ্যে টাকা স্থানান্তর করা যাচ্ছে; লাইনে না দাঁড়িয়ে বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে। কার্ড বা অ্যাপসের মাধ্যমে লেনদেন করা এখন খুবই সহজ। অনলাইন ব্যাংকিং যারা করে থাকেন তাদের কাছে এনপিএসবি ও বিইএফটিএন শব্দ দুটি খুবই পরিচিত।

এনপিএসবি: ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক রিটায়েল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। এনপিএসবি সিস্টেম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়। এনপিএসবি পদ্ধতির আওতায় বর্তমানে আন্তঃব্যাংক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম), পয়েন্ট অফ সেলস (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) লেনদেন প্রক্রিয়া করছে। 

বিইএফটিএন: বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর গ্রাহক ইলেকট্রনিক উপায়ে নিজের ব্যাংক একাউন্ট হতে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকের একাউন্টে টাকা লেনদেন করতে পারেন। এটির মাধ্যমে ক্রেডিট ও ডেবিট দুই ধরনেরই লেনদেন করা যায়। বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফশিলি ব্রাংক বিইএফটিএন-এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অর্থ লেনদেন সেবা দিচ্ছে।

এনপিএসবি ও বিইএফটিএন-এর মধ্যে পার্থকী কী?

এনপিএসবি সিস্টেম ব্যবহার করে টাকা পাঠালে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে এটি সেকেন্ডের ভেতর পৌঁছে যায়। সে সেক্ষেত্রে স্ব স্ব ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট চার্জ নিয়ে থাকে। আবার অনেক ব্যাংক কোনো ধরনের চার্জ রাখে না। আর বিইএফটিএন এর মাধ্যমে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে ২৪ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এ সময়টি সর্বোচ্চ তিন কর্মদিবস বা ৭২ ঘণ্টা লাগতে পারে। এতে কোনো ধরনের চার্জ প্রয়োজন হয় না।

এনপিএসবি ও বিইএফটিএন ছাড়াও আরেকটি পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে আরটিজিএস বা রিয়েল টাইম গ্রোস সিস্টেম। এ পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত