৫ সেঞ্চুরি আর রেকর্ড ফিফটির দিন

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ এএম

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এক দিনেই হয়েছে ৫ সেঞ্চুরি। জাতীয় দলের দুই তারকা ক্রিকেটার তাওহিদ হৃদয় আর তানজিদ হাসানও সেঞ্চুরি পেয়েছেন, জয় পেয়েছে তাদের দল মোহামেডান ও প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ব্যাটসম্যানদের এই দিনে ৬ উইকেট পেয়েছেন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের রহস্য স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল।

হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে মোহামেডানের জয় : মোহাম্মদ নাঈম আর এনামুল হকের উদ্বোধনী জুটিতে ৭৬ রান পেয়েছিল মোহামেডান, এনামুল ফিফটি করলেও নাঈম পারেননি। তাদের ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে মোহামেডানকে বাকি ইনিংসে টেনে নিয়ে যান তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন। ৭০ বলে ৭০ রান করে আফিফ আউট হলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন হৃদয়। ১০৬ বলে তিনি ১০১ রান করেন।

মিরপুরে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহামেডানের দেওয়া ৩৪০ রানের বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুর্দান্ত শুরুই পেয়েছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার আশিকুর রহমান আউট হয়ে গেলেও রীতিমতো ঝড় তোলেন হাবিবুর রহমান। প্রিমিয়ার লিগে আজই প্রথম খেলতে নামা জাতীয় দলের তারকা নাহিদ রানার এক ওভারে ২৬ আর তাসকিন আহমেদের এক ওভার থেকে আসে ২৫ রান।

মাত্র ১৫ বলে ফিফটি করে সব সংস্করণ মিলিয়েই বাংলাদেশের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডে পারভেজ হোসেনের পাশে নাম লেখান হাবিবুর। ২৭ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৫৯ রান করে তিনি আউট হতেই থমকে যায় রূপগঞ্জও। জাতীয় দলের দুই অধিনায়কের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ ৬ বল খেলে ১ আর লিটন দাস ১৫ বল খেলে করেন ১৮ রান। ৩৪ ওভারে ২৩২ রানে অলআউট হয় রূপগঞ্জ। ৭ ওভারে ৭১ রান দিয়ে ৪ উইকেট পান নাহিদ রানা।

৮ ম্যাচে ৭ জয় নিয়ে এখন পয়েন্ট টেবিলে সবার ওপরে মোহামেডান।

মাহিদুলের সেঞ্চুরি, আবাহনীর জয় : মাহিদুল ইসলাম অংকনের সেঞ্চুরির সৌজন্যে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের সামনে ৩১৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল আবাহনী। আগে ব্যাট করা দলটির হয়ে ৯৫ বল খেলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় ১০২ রান করেন অঙকন। ওই রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৪২ রানে অলআউট হয়ে গেছে গুলশান। ৩ উইকেট পান নাঈমুর রহমান নয়ন। এই জয়ে লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে ভালোভাবেই টিকে আছে আবাহনী। ৮ ম্যাচে ৬ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

রুবেলের ৬ উইকেট : লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের সপ্তম ম্যাচে এসে প্রথমবার ৫ উইকেটের স্বাদ পেলেন রহস্য স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। তাতে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে তার দল গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ১৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ঢাকা লেপার্ডস, দলের হয়ে ৯১ বলে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন সৈকত আলী। ৭.৩ ওভারে ২৩ রানে ৬ উইকেট নেন রুবেল।

অল্প রান তাড়া করতে নেমেও বিপদে পড়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ১৩৭ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। শেষ উইকেটে দরকার ছিল ১৭ রান। লিয়ন হোসেনের ২৭ বলে ১৪ আর শেষ ব্যাটসম্যান আরিদুল ইসলামের ১১ বলে ৩ রানে জয় পায় গাজী গ্রুপ।

পিকেএসপিতে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের দুই ওপেনারই সেঞ্চুরি পেয়েছেন। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা যোগ করেন ২১০ রান। ৯৩ বলে ১৩ চার ও ৫ ছক্কায় ১১৯ রান করেন তানজিদ হোসেন, ১১১ বলে ১০৫ রান আসে শাহাদাত হোসেনের ব্যাটে। জবাবে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ৫ উইকেট হারিয়ে ৮৬ রান করলে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টি আইনে ১৫৫ রানের বড় জয় পায় প্রাইম ব্যাংক।

৩২৬ রান তাড়া করে জয় অগ্রণী ব্যাংকের : ৫০ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩২৬ রানের বড় সংগ্রহই পেয়েছিল সিটি ক্লাব। ১৪৫ বলে একাই ১৫১ রান করেন আবদুল্লাহ আল মামুন; কিন্তু তার ১৫০ রানের ইনিংসও বৃথা গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত