নেইমার বললেন ‘সবাই এক সাথে’

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০৮:১০ এএম

২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরা কাটিয়ে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বসেরা (হেক্সা) হওয়ার স্বপ্ন বুকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। সোমবার (১ জুন) রাতে রিও ডি জেনেরিও থেকে সেলেসাওদের এই বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল ভক্তদের উন্মাদনা ও ভালোবাসায় ঘেরা। বিশেষ করে পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়রকে ঘিরে সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সোমবার দুপুরে রিও’র বাররা দা তিজুকার টিম হোটেল থেকে যখন খেলোয়াড়রা বাসে উঠছিলেন, তখন শত শত সমর্থক প্রিয় তারকাদের বিদায় জানাতে ভিড় করেন। নেইমার, অ্যালিসন বেকার, ব্রুনো গিমারেস, কাসেমিরো ও রাফিনিয়ারা বাসে ওঠার আগে ভক্তদের আবদার মিটিয়ে অটোগ্রাফ দেন এবং ছবি তোলেন।

বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে পুরো ব্রাজিল দল ‘ ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন’ সদর দপ্তরে যায়। সেখানে ফুটবলাররা সিবিএফ মিউজিয়াম ঘুরে দেখেন এবং ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের সোনালি অতীত রোমন্থন করেন।

মিউজিয়ামে প্রদর্শিত ব্রাজিলের ঐতিহাসিক পাঁচটি বিশ্বকাপ ট্রফির সামনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ আবেগঘন চোখে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় ভিনিসিউস জুনিয়র, লুকাস পাকেতা, অ্যালিসন ও ব্রুনো গিমারেসকে। যেন আরও একবার সেই সোনালি ট্রফিটি ছুঁয়ে দেখার দীপ্ত শপথ নিচ্ছিলেন তারা। সেখানে সিবিএফের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশ নেওয়ার পর বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয় দল।

রাত ১০টার দিকে রিও’র গ্যালেও বিমানবন্দর থেকে ব্রাজিলের চার্টার্ড ফ্লাইটটি উড্ডয়ন করে। প্রথা ও ঐতিহ্য মেনে রানওয়েতে দমকল বাহিনীর দুটি বড় গাড়ি থেকে পানির ফোয়ারা ছুড়ে (ওয়াটার স্যালুট) বিদায় জানানো হয় সেলেসাওদের বহনকারী বিমানটিকে।

১ দশমিক ১৯ বিলিয়ন রিয়াল (প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের এই বিশেষ বোয়িং ৭৬৭-৩০০ ইআর বিমানটি বিশ্বখ্যাত রক ব্যান্ড ‘রোলিং স্টোনস’র ট্যুর বিমান হিসেবেও অতীতে ব্যবহৃত হয়েছিল। পুরো বিমানটিতে মাত্র ৯৬টি প্রথম শ্রেণির লাক্সারি সিট রয়েছে, যা দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার ফ্লাইটে খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ আরাম নিশ্চিত করবে।

উড্ডয়নের পর পরই নেইমার সামাজিক মাধ্যমে পুরো দলের একটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেন ‘সবাই একসাথে...’।

নিউ জার্সির নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার বিকালের দিকেই প্রথম অনুশীলনে নামার কথা ছিল কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত