বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

উৎসবমুখর ভোট ঠেকাতেই ফের অগ্নিসন্ত্রাস: হাসিনা

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০১:২৫ পিএম

নয়াপল্টনের সংঘর্ষের ঘটনায় বিগত নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি আবার ‘অগ্নিসন্ত্রাসে’ মেতেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, সবার দাবি মেনে নির্বাচন কমিশন ভোটের সময় পিছিয়ে দিয়েছে। তখন সবার অংশগ্রহণে উৎসবমুখর নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলো। কিন্তু জনগণ নির্বাচন নিয়ে উৎসবমুখর হলে বিএনপির ‘খুব খারাপ লাগে’।

“সেটাই গতকাল (বুধবার) দেশবাসী দেখল। কোনো কথা নাই, বার্তা নাই বিএনপি একটা মিছিল নিয়ে আসলো। যেখানে মিছিল নিয়ে আসার কথা না। তারপরও নিয়ে এসে মারপিট, পুলিশকে আহত করল এবং পুলিশের গাড়ি পোড়ালো।”

বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় সামনের সড়কে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসময় বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর ও পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গত নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ২০১৫ সালে তারা যেভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, অগ্নিসন্ত্রাস এবং মানুষ পোড়ানো ছাড়া বিএনপি কোনো কাজ করতে পারে না- এটাই প্রমাণ করেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। “যখন বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনে উৎসবমুখর, যখন সবাই খুশি নির্বাচন করবে, সাধারণ মানুষ ভোট দিবে, তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করবে, ঠিক সে সময়ই বিএনপি তাদের স্বরূপে আবার ফিরে এসেছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “এ ধরনের কাজ করার পর একজনের দোষ আরেকজনের ঘাড়ে দেওয়া উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে দেওয়া- এ বিষয়ে তারা পারদর্শী। যেখানে ভিডিও ফুটেজে দেখা গেল তাদের পরিবারের লোকজন এ কাজ করছে সেখানে তারা হুট করে বলে দিল ছাত্রলীগ-যুবলীগের ছেলেরা এ কাজ করেছে। ছাত্রলীগ গেল কখন এবং যাবে কেন? ভিডিও ফুটেজও তো সবার চেহারা দেখা যাচ্ছে। একটাও কি ছাত্রলীগ-যুবলীগের কারো চেহারা আছে? সবই তো বিএনপির গুণ্ডাদের চেহারা, সবাই তো বিএনপির।”

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “তাদের সঙ্গে কিছু কথা বলেছি, এতো প্রার্থীর মাঝে প্রার্থী বেছে নেওয়া কঠিন কাজ। ৪ হাজারের মাঝে ৩০০ জন বেছে নেওয়া কঠিন কাজ। তারপরও আমরা মনোনয়ন বোর্ডে বসেছি, যাচাই-বাছাই করে ঠিক করবো।”

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত