ঝিনাইদহে প্রচারে তুঙ্গে আ. লীগ বাধার মুখে বিএনপি

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:৩০ এএম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। তবে পুলিশ ও সরকারি দলের নেতাকর্মীদের বাধা এবং হয়রানির কারণে প্রচারে নামতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। ‘শুধু নেতা নয়, নীতিরও পরিবর্তন চাই’ স্লোগানে ভোটের প্রচার করছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন নৌকার প্রার্থী আব্দুল হাই। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ভোট চাইছেন তিনি। এখানে ধানের শীষে লড়ছেন মো. আসাদুজ্জামান আসাদ। আছেন ইসলামী আন্দোলনের এম রায়হান উদ্দিন।

ঝিনাইদহ-২ (সদর ও হরিণাকু-ু) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তাহজীব আলম সিদ্দিকী (সমি) নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামে প্রচার করছেন। বিএনপির আবদুল মজিদ মনোনয়ন পেলেও উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ায় তার প্রার্থিতা উচ্চ আদালতে আটকে গেছে।

সেখানে এখন ২০ দল বা ঐক্যফ্রন্টের কোনো প্রার্থী নেই। বাসদের আসাদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা ফখরুল ইসলাম ও জাকের পার্টির আবু তালেব সেলিম ভোটের মাঠে রয়েছেন।

ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনে শফিকুল আজম খান চঞ্চল নৌকায় ভোট চেয়ে নির্বাচনী এলাকায় চষে বেড়াচ্ছেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জামায়াত নেতা মো. মতিয়ার রহমান। এ আসনে আরো আছেন জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান স্বাধীন, ইসলামী আন্দোলনের সারোয়ার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল হোসেন।

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে নৌকার প্রার্থী আনোয়ারুল আজীম আনারের পক্ষেও চলছে জমজমাট প্রচার। নির্বাচিত হলে তিনি লেকপার্ক, মুক্তমঞ্চ, বাইপাস সড়কসহ নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

এ আসনের বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ তার প্রচারের মাইক ভাঙচুর, সমর্থকদের মারধর, সরকারদলীয় কর্মীদের সশস্ত্র মহড়া ও পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ করেছেন।

গত সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, থানা পুলিশসহ প্রশাসনের লোকজন নৌকা প্রতীকে ভোট চাচ্ছে। আওয়ামী লীগের নেতারা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি দিচ্ছে। মিথ্যা মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে পুলিশ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত