সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

দাম বাড়ায় চালের আমদানি বাড়ছে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:৫২ এএম

দেশের বাজারে ধান-চালের দাম কিছুটা বাড়তে শুরু করতেই ভারতীয় চাল আমদানির পরিমাণও বাড়তে শুরু করেছে। গত তিন দিনে হিলি বন্দর দিয়ে ১ হাজার ৪৫০ টন ভারতীয় চাল আমদানি করা হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বোরো মৌসুমে ভালো উৎপাদনের পর সরকার চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে ২৮ ভাগ শুল্ককর আরোপের সিদ্ধান্ত জানায়। তখন থেকেই এ বন্দর দিয়ে চাল আমদানি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। দেশের বাজারে ধান-চালের দাম গত দুই সপ্তাহ ধরে কেজিতে দেড়-দুই টাকা বেড়েছে। এর প্রভাবে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় চাল আমদানির পরিমাণও বাড়তে শুরু করেছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, গত ৭ জুন চাল আমদানিতে শুল্ক হার ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৮ শতাংশ নির্ধারণের পর চাল আমদানি একেবারে শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। মাঝেমধ্যে দু-এক ট্রাক চাল আমদানি করা হতো। তবে গত কয়েক দিন ধরে চাল আমদানি বাড়ছে। গত মঙ্গলবার ৬৭৫ টন, বুধবার ৪৭৫ টন ও বৃহস্পতিবার ৩০০ টন চাল আমদানি করা হয়েছে।

হিলির হরিহরপুরের ধান ব্যবসায়ী মশফিকুর রহমান জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে ধানের দাম মণপ্রতি ১শ টাকার মতো বেড়েছে। বর্তমানে স্বর্ণা-৫ জাতের ধান ৭৭০ থেকে ৭৭৫ টাকা দরে কেনাবেচা হচ্ছে। আর মোটা জাতের ধান ৭০০ থেকে ৭১০ টাকা মণ দরে কেনাবেচা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানের অটো রাইস মিলাররা মিল চালু করেছে। তাতে তারা ধান কেনাও বাড়িয়েছে। এ কারণেই ধানের দাম কিছুটা বেড়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারক মামুনুর রশীদ জানান, আমদানি পর্যায়ে শুল্ককর বাড়ানো ও দেশের ভেতরে ধান-চালের দর কম থাকায় এতদিন ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধই ছিল বলা যায়। কারণ ভারত থেকে চাল আমদানি করলে খরচ দেশের বাজারদরের চেয়ে বেশি পড়ে। তবে দেশের বাজারে দর বাড়তে থাকলে আমদানিও বাড়বে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত