আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুলের ইসলামের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার সকালে বরেণ্য এই রাজনীতিকের মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়।
সকাল সাড়ে ১০টায় প্রথম জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধের এই সংগঠককে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়।
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায় নেওয়ার কথা রয়েছে। রাজধানীর বনানীতে তাকে দাফন করা হবে।
থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রবীণ এই রাজনীতিক শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান।
ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ৬৮ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। অসুস্থতার কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন তিনি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন। অসুস্থতার কারণে তিনি শপথ নিতে পারেননি।
মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই মেয়াদে ওই দায়িত্ব পালনের পর তিনি সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন।
