জেগে উঠল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সাবমেরিনজেগে উঠল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সাবমেরিন

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১০:০৩ পিএম

দশকের পর দশক বালুর স্তূপে থাকা জার্মানির প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একটি সাবমেরিনের ভগ্নাংশ দেখা গেছে ফ্রান্সের উপকূলে।  ইউসি-৬১ নামের সাবমেরিনটি ১৯১৭ সালের জুলাইয়ে ফ্রান্সের ক্যালাইসের কাছে উইসান্তে আটকে গিয়েছিল। ক্রুরা সাবমেরিনটিকে ডুবিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে চলে গিয়েছিলেন।

বিবিসির খবরে জানানো হয়, ১৯৩০ এর দশকে সাবমেরিনটির বেশির ভাগ অংশ পলিতে ঢেকে যায়।  সেটিই এখন দৃশ্যমান হওয়ায় পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।  তবে স্থানীয় মেয়র সতর্ক করে বলেছেন, সাবমেরিনটি দেখা যাবে ক্ষণিক সময় ধরে। গত বছরের ডিসেম্বরে ভাটার সময় সাবমেরিনটির দুটি অংশ দৃশ্যমান হয়। বালুর স্তূপ থেকে এর উচ্চতা ৩৩০ ফুট।  এ নিয়ে উইসান্তের মেয়র বার্নার্ড ব্র্যাক বলেন, ‘স্রোত ও বাতাসের ওপর নির্ভর করে বালু এদিক-ওদিক যায়, যার ওপর নির্ভর করে ভগ্নাবশেষ প্রতি দুই থেকে তিন বছরে দৃশ্যমান হয়।  তবে প্রবল বাতাস ও ভগ্নাবশেষ আবার উধাও হয়ে যাবে। ’

স্থানীয় ট্যুর গাইড ভিনসেন্ট স্মিট মনে করছেন, বাতাস ও জোয়ার-ভাটায় ইউসি-৬১ নামের সাবমেরিনটির আরও অংশ উন্মোচিত হবে।  তিনি বলেন, ‘উইসান্তের সব বাসিন্দা জানতেন, এখানে একটি সাবমেরিন আছে।  তবে ভগ্নাবশেষের বেশির ভাগ পলিতে ঢাকা ছিল।  এ কারণে এটি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল।’ ভিনসেন্ট আরও বলেন, ‘খণ্ড খণ্ড অংশ সময়ে সময়ে দেখা যায়। তবে এবার প্রথমবারের মতো আমরা এতটা দেখতে পেয়েছি। ’

জার্মান সাবমেরিনগুলো ইউ-বোট হিসেবে পরিচিতি ছিল। এগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রশক্তির জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালাত। এগুলোর হামলায় শত শত জাহাজ ডুবেছে।  ইতিহাসবেত্তাদের মতে, ইউসি-৬১ কমপক্ষে ১১টি জাহাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি মাইন ব্যবহার করে, বাকিগুলোকে টর্পেডো দিয়ে ডোবানো হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত