জেলা শহরের অদূরেই শুক সাগর দিঘিতে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে এ দিঘি। দর্শনার্থীরাও ভিড় করছেন এই পাখি দেখতে। দিনের ক্লান্তি শেষে কাজের ফাঁকে অনেকেই বেড়াতে আসেন দিনাজপুরের শুক সাগর দিঘিতে। সাগর না হয়েও এই বিরাটকায় দিঘির নাম হয়েছে শুক সাগর। অনেকটা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যের কারণে ভিনদেশ থেকে, হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ঘুরতে আসে এই অতিথি পাখি। জেলার বেশ কিছু জায়গায় অতিথি পাখির আগমনে দৃষ্টিনন্দন হয়ে ওঠে জলাশয়গুলো।
দিনাজপুরের শুক সাগর এবং পার্বতীপুর উপজেলার আমবাড়ি ঘেঁষে বউতার দুটি বড় জলাশয়ে প্রতি বছর কয়েকশ অতিথি পাখি আসতে দেখা যায়। এসব পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঝাঁক বেঁধে একসঙ্গে আকাশে ওড়ার দৃশ্য মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের। সরেজমিনে শুক সাগরে গিয়ে চোখে পড়ে এমনই দৃশ্য। জনপ্রতি কুড়ি টাকা ভাড়া নিয়ে পুরো শুক সাগর ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা।
শুক সাগরে বেড়াতে আসা দর্শনার্থী সাজু বলেন, ‘প্রতি বছর এখানে বেশ কয়েকবার ঘুরতে আসি। বিশেষ করে শীতের সময়টা বেশি ভালো লাগে। অতিথি পাখি আসে, তাদের কলকাকলি একটা সুরেলা পরিবেশ সৃষ্টি করে। তবে এবার গত কয়েক বছরের তুলনায় একটু কম পাখির বিচরণ দেখা যাচ্ছে।’
শুক সাগর দিঘি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এই দিঘিতে প্রতি বছর কয়েক শ অতিথি পাখি আসে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করি পাখিগুলোকে নিরাপদ রাখতে। কেউ ঢিলও ছুড়তে পারে না। এবারও অনেক পাখি এসেছে, তবে গতবারের তুলনায় কম।
