বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রুখতে চাইলে আগামী ৪০ বছরের মধ্যে বিজ্ঞানীরা সব ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের ফলে প্রকৃতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তার একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছে লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।
গবেষণায় বলা হয়, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধ করলে বৈশ্বিক উষ্ণতা ৬৪ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, যা পৃথিবীর সব প্রাণের জন্য ইতিবাচক।
গাড়ি চালাতে ডিজেল এবং বিমান ও জাহাজ চালাতে যে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা হয়, তা অধিক পরিমাণে কার্বন-ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে। ইলেকট্রিক গাড়ি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার করে জিরো কার্বন নির্গমন নিশ্চিত করতে হবে। তবে বিমান চলাচলে ব্যবহৃত ফুয়েলের কোনো বিকল্প এখনো পাওয়া যায়নি। যদিও এরই মধ্যে সৌর বিদ্যুৎচালিত বিমান তৈরির বিষয়টি অনেকটা এগিয়েছে।
ন্যাচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমনের মাত্রা কমাতে পারলে বৈশ্বিক উষ্ণতা ৫০ শতাংশে নেমে আসবে। আর তাতে দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি আসবে তাপমাত্রা। ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে বিশ্বনেতারা সম্মত হয়েছেন কার্বন নির্গমনের মাত্রা কমাতে।
