কেন ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে আসেনি বিএনপি?

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:২৬ পিএম

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি অংশ না নেওয়ার পেছনে কী কারণ তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

সম্প্রতি ড. কামাল হোসেন জামায়াতের সঙ্গে জোট করা বিষয়ে বিএনপির কাছে ‘সুরাহা’ চাইবেন বলার পর প্রথম বৈঠকে বসে ঐক্যফ্রন্ট। বৈঠকে জামায়াত ইস্যু এড়াতেই কী আসেনি বিএনপি, এমন প্রশ্ন উঠেছে।

বৈঠকে না আসা বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

জামায়াত ইস্যুতে ফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির দূরত্ব তৈরি হচ্ছে কি না জানতে চাইলে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব সাংবাদিকদের বলেন, কোনো দূরত্ব তৈরি হয়নি। বিএনপি নেতারা ব্যস্ত থাকায় তারা বৈঠকে অংশ নিতে পারেননি। পরবর্তী বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধি থাকবে।

ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিএনপির সঙ্গে জোটের দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না জানতে চাইলে দেশ রূপান্তরকে বলেন, না এটা বলা যাবে না। কারণ বিএনপির তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। তারা আজকের বৈঠক চাননি। বিএনপি চেয়েছিল দুদিন পর স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক করতে। কিন্তু কামাল হোসেন চেকআপের জন্য শনিবার দেশের বাইরে যাবেন বিধায় আগেভাগে বৈঠক করতে হয়েছে। 

জামায়াত প্রশ্নে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জামায়াতে ইসলামী ঐক্যফ্রন্টে ছিল না। এখনো নেই। জাতীয় সংলাপেও জামায়াত থাকছে না।

বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কামাল হোসেন। এ ছাড়া অংশ নেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। বৈঠকে বিএনপি ছাড়াও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী অংশ নেননি।

বৈঠকে ৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংলাপের তারিখ ঘোষণা করে ঐক্যফ্রন্ট।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত