প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান ঢাবি শিক্ষার্থী শান্ত

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০১:৪২ এএম

ট্রেন দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়ে মানবেতন জীবনযাপন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফলিত গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র শফিউল আলম খান শান্ত। দুর্ঘটনার পর বিভাগের শিক্ষকরা চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহনসহ উন্নতমানের দুটি কৃত্রিম পা সংযোজনের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। এখন শান্তর পরিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তা চায়। ‘প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেলে আমার সন্তান স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে’ বললেন শান্তর মা।

সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মীরপুর বিড়ালাকুঠি মহল্লার শান্ত অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক শাহজাহান আলী খানের ছেলে। শান্ত জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছোট। বড় ভাই শাহআলম টিনের একটি দোকানের কর্মচারী। মা শাহিদা খানম গৃহিণী। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি সরস্বতী পূজার ছুটি শেষে সকালে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন থেকে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে রওনা হই। স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই ট্রেন ছেড়ে দিলে দৌড়ে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে ট্রেনের নিচে পড়ে যাই। এ সময় শরীর থেকে দুটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।’

শান্ত আরও বলেন, এ পর্যন্ত বাবার অবসরের টাকাসহ ধারদেনা করে চিকিৎসার জন্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিভাগের চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন শিক্ষক যান। সে সময় তারা চিকিৎসা খরচসহ যাবতীয় ব্যয় বহনের পাশাপাশি উন্নতমানের দুটি কৃত্রিম পা সংযোজনেরও প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া সামাজের বিত্তবান কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি।

শান্তর মা শাহিদা খানম জানান, শান্ত আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চায়। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে তার দুটি কৃত্রিম পা প্রয়োজন। এই কৃত্রিম পা সংযোজনের ব্যয়ভার বহনের সামর্থ্য আমাদের নেই। শান্তর মুখে হাসি ফোটাতে এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তা প্রয়োজন। তার সহায়তা পেলে আমার সন্তান স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত